ওয়াজের নামে উস্কানি: “নুরে বাংলার” শাস্তির দাবীতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বারকলিপি

0
.

ওয়াজ মাহফিলে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদানকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে হেফাজতে ইসলাম হাটহাজারী উপজেলার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।
আজ ১৬ জানুয়ার বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় হাটহাজারী চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনুষ্ঠিত এ মানবন্ধন শেষে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও দারুল উলূম হাটহাজারীর মুহাদ্দিস মাওলানা ইয়াহিয়া সাহেবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দারুল উলুম হাটহাজারী সিনিয়র মুফতি ও মুহাদ্দিস আল্লামা জসীম উদ্দীন আনসারী, মাওলানা ফোরকান আহমদ, মাওলানা মাহবুবুল আলম, আহসানুল্লাহ মাস্টার, মাওলানা আনোয়ার শাহ আযহারী, মাওলানা হাফেয মুইনুদ্দীন, মাওলানা ইবরাহীম খলীল, মাওলানা জাহেদুল্লাহ খান, মাওলানা হাসান মুরাদ, মাওলানা এনাআমুল হক, মাওলানা রবিউল হাসান প্রমুখ।

দীর্ঘ অর্ধ কিলোমিটার ব্যাপী মানববন্ধনে সহশ্রাধিক ধর্মপ্রাণ তৌহিদি জনতা অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তাগণ বলেন- ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে ঈমান ও ইসলামের কথা সাধারণ মানুষের নিকট তোলে ধরা হয়। ওয়াজ-নছিহত সর্বসাধারণকে সদুপোদেশ দেয়। ওয়াজ মাহফিলের নামে আল্লামা আহমদ শফি সাহেব দা.বা. সহ আহলে হক ওলামায়ে কেরামকে গালি-গালাজ করে আম জনাতার মাঝে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা কোনো বরদাশত করা হবে না। বিশেষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরে বাংলা নাম ধারণকারী ছদ্মবেশী মাহবুবুল হক আল কাদেরী নামক জৈনক বক্তা গত ৩রা ডিসেম্বর সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের একটি মাহফিলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মুহতারাম আমীর, বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও হাটহাজারী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের মহপরিচালক শায়খুল ইকসলাম আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী (দা.বা.)সহ দেশখ্যাত ওলামায়ে কেরামদের অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ নোংরা ভাষায় গালি-গালাজ করার কারণে হেফাজতে ইসলাম ও সাতকানিয়া ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবদুল মুবিন সর্বস্তরের ওলামা ও তৌহিদী জনতার পক্ষ থেকে বাদী হয়ে গত ৮ জানুয়ারি ডিজিটাল নিরাপ্তা আইন ২০১৮ ধারায় তারার নামে মামলা রুজু করার পরিপ্রেক্ষিতে সাতকানিয়া থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজতে আছেন। আমরা তার সর্বোচ্চ শাস্তি ও বিচার দাবী করছি। কারণ তার এই উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে ২০০৯ সালে কক্সবাজার জেলার মহেশখালিতে সম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়িয়ে ৪জন নিরহ ব্যক্তি প্রাণ হরিয়েছেন। আমরা তার পূণরাবৃত্তি চাই না। তাই চিরদিনের জন্য চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে তার এবং চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়ার আবুল কালাম বয়ানি, ঢাকার কমলাপুরের মাওলানা হাসানুর রহমান নক্সবন্দীসহ যারা ওয়াজ মাহফিল ও মিলাদুন্নবী (সা:)’র নামে কুরুচিপূর্ণ নোংরা ও জঘন্য ভাষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানী বক্তব্য প্রদান করে সম্প্রীতি নষ্ট করে এবং যারা এদের সহযোগি হয়ে ইন্দনদাতা হিসেবে কাজ করে তাদের সকলকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে অনতিবিলম্বে সর্বউচ্চ শাস্তি প্রদান দাবি জানান।

কোন মন্তব্য নেই