নানান আয়োজনে পালিত হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৪তম জন্মদিন

0
.

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী আজ রবিবার। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন।

জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে একদিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

আজ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশের প্রতিটি বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, শেরেবাংলা নগরে জিয়ার সমাধিতে দলের নেতাকর্মীদের ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হবে। এ ছাড়া বেলা আড়াইটায় রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও দল সমর্থিত বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য দেবেন।

জন্মদিন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই পোস্টার প্রকাশ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি সারা দেশের জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিটে জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে।

১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন তিনি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের প্রধান হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে অসহযোগ আন্দোলনরত বাঙালির ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী একযোগে আক্রমণ চালালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন।

দেশ স্বাধীনের পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান নিযুক্ত হন। ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নতুন দর্শনের ভিত্তিতে গঠন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিপথগামী কিছু সেনা সদস্যের হাতে নিহত হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

 

কোন মন্তব্য নেই