মালিক-কর্মচারী কোয়ারেন্টাইনে

খুলশীর সুপারশপ “দি বাস্কেট” লকডাউন

0
.

চট্টগ্রাম মহানগরীর অভিজাত সুপারশপ “ দি বাস্কেট” এর মালিক পরিবারসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। এর আগে আলোচিত এ শপিং মলটি লকডাউন (বন্ধ) করে দেয় প্রশাসন।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মচারীর শরীরে করোনাভাইরাসের ধরার পড়ার পর রাতে মালিক কর্মচারীদের হোমকোয়ারেন্টাইনে নেয়ার বিষয়টি পাঠক ডট নিউজকে নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায়।

তিনি জানান, শপিং মল দি বাস্কেটের কর্মচারীর শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রামক ধরা পড়ার পর সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী, ফৌজদারহাট, ছলিমপুর, ফকিরহাট এলাকায় অবস্থিত এর মালিক ও কর্মচারীদের হোমকোয়ারেন্টেইনে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরো খবর- চট্টগ্রামে আরও একজন করোনা আক্রান্ত

বাস্কেটের ম্যানেজার নেজামউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছেন, শনিবার সকাল থেকে খুলশী থানা পুলিশের নির্দেশে সুপার স্টোর বাস্কেট লকডাউন করা হয়েছে। রাতে খুলশী থানা ফোন করে আপাতত বাস্কেট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে, চট্টগ্রামের করোনাভাইরাস আক্রান্ত প্রথম রোগীর ২৫ বছর বয়সী ছেলে বাস্কেটে সেল্স এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি করেন। সে কারণে নিরাপত্তামূলকভাবে শনিবার বাস্কেট বন্ধ করে দেয়ার ২৪ঘন্টার মাথায় রবিবার সন্ধায় ঔই যুবকের শরীরে করোনা সংক্রামন হওয়ার রিপোর্ট পাওয়ার কথা জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি।

আরো খবর: চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত

উল্লেখ্য সুপারশপ দি বাস্কেটের চেয়ারম্যান সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসহাক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছেলে নাজমুল হোসেন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসেন, ডিরেক্টর রবিউল হোসেন, হেড অব অপারেশন নিজাম উদ্দিন, সিনিয়র পারচেজ ম্যানেজার সাদেক আলী।

বাস্কেটের ম্যানেজার নেজামউদ্দিন জানান, মামুন গত ২৫ মার্চ থেকে ছুটিতে আছেন। তারপরেও পুলিশের নির্দেশনা মেনে আমরা বাস্কেট বন্ধ করে দিয়েছি।

এদিকে নগরীর দামপাড়া এক গলিতে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর পরই  (বাস্কেট কর্মচারীর বাবা) নগরী ও জেলার ৮টি বাড়ির ৮০টি পরিবারকে গত শুক্রবার থেকে লকডাউন করে দেয় সিএমপি ও জেলা পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই