চট্টগ্রামে ১০টি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

0
.

চট্টগ্রামে সরকারী বন্ধের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নগরীর কয়েকটি এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এসব অভিযানে নেতৃত্ব দেন।বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৬৭ মামলায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ সহযোগিতায় নগরীর ১৫টি থানা এলাকায় ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালিত হয় বলে জানান জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেন্টার।

.

রাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সকাল থেকে জিইসি মোড়, লালখান বাজার, ইস্পানি মোড়, অলংকার মোড়, অক্সিজেন, কর্ণফুলীর নতুন ব্রিজ এলাকা, আগ্রাবাদ, পাহাড়তলী, হালিশহর, আকবরশাহ, টাইগার পাস, সিটি গেইটসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় বাজার মনিটরিং, অথযা ঘোরাঘুরি, সরকারি নির্ধারিত সময়ের পরও দোকান খোলা ইত্যাদি অভিযোগ পাওয়া যায়।

বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান। তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রেখে ব্যবসা পরিচালনা করায় নাহার এন্টার প্রাইজ কে ১০হাজার টাকা,বেস্ট বাই ১৫হাজার টাকা, সাইদী ইলেক্ট্রনিকসকে ২০ হাজার টাকা, ভাই ভাই রেস্টুরেন্টকে ১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

.

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডবলমুরিং,সদরঘাট ও কোতোয়ালি এলাকায়। তিনি জানান, বাজারে মাস্ক ব্যবহার না করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় ৩ টি দোকানকে ২হাজার টাকা, ১টি সেলুনকে ১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা না মেনে চান্দগাঁও, চকবাজার ও বাকলিয়ায় দোকান খোলা রাখায় ৩টি দোকানকে আড়াই হাজার টাকা, সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখায় ৬টি মামলায় ২হাজার ৪৫০টাকা, বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে একটি দোকানকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় বাজারসহ অন্যান্য স্থান যেখানে লোক সমাগম সাধারণত বেশী সে সব স্থান মনিটর করা হয়, মাইকিং করে সচেতন করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান আকবরশাহ,পাহাড়তলী,হালিশহর থানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি জানান, ৫টি মামলায় ২হাজার ৯শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

.

বায়োজিদ, খুলশি, পাঁচলাইশ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ শিকদার। অভিযানে ৭টি মামলায় সাড়ে ৯হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নগরীর চান্দগাঁও, বাকলিয়া ও চকবাজার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম। অভিযানে ৬টি মামলায় ৩হাজার ৭শত টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পাহাড়তলী, আকবরশাহ ও হালিশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭টি মামলায় ৩২হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা করেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের ভ্রাম্যমাণ আদালত ৭টি মামলায় ২ হাজার ১শত টাকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনীক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬টি মামলায় ১হাজার ৮৫০টাকা জরিমানা করেন।

পতেঙ্গা, বন্দর ও ইপিজেডে সামাজিক দুরত্ব ও সরকারি আদেশ অমান্য করায় ৯টি মামলায় সাড়ে ১২হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ।

কোন মন্তব্য নেই