সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করেছে ব্যবসায়ীরা-বক্কর

0
.

দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার সরকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে ব্যবসায়ীরা জনগণের প্রতি যে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। অপরদিকে আওয়ামীলীগ ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে জনগণকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুকিতে রেখে তারা ব্যবসা না করে দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের নৈতিক পতন হয়েছে বলেই জনগণকে মৃত্যুর মুখে উপনীত করে একটি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশে প্রতিদিন করোনা সংক্রামনের সংখ্যা কবাড়লেও সরকার সেদিকে নজর দিচ্ছে না। জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গার্মেন্টস, কলকারখানাসহ দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ করে দিয়ে জরুরী অবস্থা ঘোষণা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল ও সরকার হিসাবে আরেকবার গণবিরোধী ও জনগণের কাছে ঘৃণিত বস্তু হিসাবে চিহ্নিত হবে।

তিনি আজ শনিবার (৯ মে) নগরীর এনায়েত বাজার বাটালী রোডস্থ নিজ বাসভবনের সামনে করোনা দূর্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষেন জন্য ওয়ার্ড বিএনপি নেতাদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তরকালে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারের উচিত জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু তারা না করে জনগণের জীবনকে বার বার হুমকীর মূখে ফেলে দিচ্ছে। দেশের করোনা সংক্রামন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বার বার মে থেকে জুন মাস বাংলাদেশের জন্য খুবই ঝুকিপূর্ণ বললেও সেটা সরকার তোয়াক্কা করছে না। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দিলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব না, বিশেষজ্ঞ মহলও একই কথা বলে আসছে। কিন্তু সরকার চলছে উল্টো পথে। লকডাউন তুলে দিয়ে দোকানপাট, শপিংমল খুলে দেওয়ার আগে সরকারের মন্ত্রী এমপি ও গুরুত্বপূর্র্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার চাদর থেকে বাহির হয়ে জনতার কাতারে আসার দাবি জনান। আপনাদের দেখে জনগণ বাহির হবে। অন্যথায় জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুকিতে না ফেলে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করার আহবান জানান।

ত্রাণ হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন হালিশহর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, নগর যুবদলের সহসভাপতি এম এ গফুর বাবলু, বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, যুবদল নেতা মো. বেলাল হোসেন, ছাত্রদল নেতা রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই