করোনায় মৃত সাংবাদিক পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবী

সাংবাদিকদের সুরক্ষা, ছাঁটাই বন্ধ ও বকেয়া পরিশোধ না করলে কঠোর আন্দোলন-বিএফইউজে

0
.

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রত্যেক সংবাদকর্মীর জন্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএফইউজে’র সভাপতি মোল্লা জালালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।

এ সময় সাংবাদিকদের সংগঠনের নেতারা গণমাধ্যমের অগ্রগতি ও সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে বেশ কিছু প্রস্তাব ও দাবি তুলে ধরেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে তিনজন সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে ও আরও অন্তত ৮০ জন গণমাধ্যমকর্মী আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ও ঘরে-বাইরে চিকিৎসাধীন আছেন।

জরুরি সভায় দেশব্যাপী করোনা দুর্যোগের সময় সংবাদপত্র ও টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন নোয়াব ও অ্যাটকোর ভূমিকায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন বিএফইউজে-ডিইউজের নেতারা।

এতে বলা হয়, নোয়াব ও অ্যাটকোর নেতারা দুর্দশাগ্রস্ত সাংবাদিকদের পাশে না দাঁড়িয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন।

এ কঠিন সময়ে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মী ছাটাই বন্ধ ও বকেয়াসহ বেতন ভাতাদি পরিশোধে গণমাধ্যম মালিকরা ব্যর্থ হলে সাংবাদিকরা কর্মবিরতি পালন ও ধর্মঘটের মতো কঠিন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলেও জানান নেতারা।

তারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই সংবাদকর্মীদের বকেয়াসহ চলতি মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা প্রদান করার দাবি জানান।

কোনো সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গণমাধ্যম মালিককে বহন করার দাবি জানান তারা।

কোনো গণমাধ্যম মালিক এর ব্যতয় ঘটালে সরকারকে সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন ও টেলিভিশনের দেয়া লাইসেন্সের শর্তাবলীর আলোকে ডিক্লারেশন ও লাইসেন্স বাতিল করার পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তারা।

ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদের সঞ্চালনায় যৌথ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপুসহ আরও অনেকে।

কোন মন্তব্য নেই