মানুষের জন্য দ্বীন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন

0

মানুষের জন্য মানুষ, কথাটি সত্য হলেও আজ আমরা ভুলতে বসেছি সবাই। কিন্তু কিছু মানুষ এর নিরলস চেষ্টায় কথাটির সত্যতা বেঁচে রয়েছে। জী হ্যাঁ, আমরা কথা বলছি দীন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন এবং তার কর্নধার চেয়ারম্যান ডাক্তারঃ দ্বীন মোহাম্মাদ নুরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ মোহাম্মদ নূর এর সম্পর্কে। শুধু করোনার সময় নয়, গত কয় বছর ধরে হাজার হাজার ছিন্নমূল মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছেন বিনামূল্যে, দিচ্ছেন বিনা মূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। অধ্যাপক ডাঃ দীন মোহাম্মদ নূরুল হক, প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সাবেক মহাপরিচালক স্বাস্থ্য, এর উপর গড়ে উঠা এবং উনার নেতৃত্বে এই প্রথিষ্ঠানটির শুরু ২০১২ সালে তার সুযোগ্য পুত্র আসিফ নূর এর হাতে। সেই প্রাককাল থেকে এখনোও পর্যন্ত মানবতার সেবা বজায় রেখেছেন আসিফ নূর ! ‘ মানুষ এর জন্য মানুষ, এই সত্যকে বুকে ধরে, আমরা আছি তোমাদের পাশে, দুঃসময়ের বন্ধু হয়ে’ এমনটাই বলছিলেন দীন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক আসিফ নূর ! তিনি লন্ডন থেকে পরে এসে যোগ দেন পারিবারিক ব্যাবসায় এবং তার বাবার সাথে বুদ্ধি পরামর্শ করে গড়ে তুলেন এই ফাউন্ডেশন-টি ! বর্তমানে ফাউন্ডেশনটি প্রায় দশ হাজার এর বেশি ছিন্নমূল মানুষের চোখের ছানি পরিষ্কার করে আলো ফিরিয়ে দিয়েছেন। বন্যা থেকে শুরু করে যে কোনো দুর্যোগ পরিস্থিতিতে এগিয়ে গিয়েছেন অসহায় মানুষদের পাশে।

এই যেমন ভয়াল করোনা বিপর্যয়ে এই ফাউন্ডেশনটি কাজ করছে নিরলসভাবে। ঢাকা শহরের অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলোকে দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা। নিজ হাতে বিতরণ করছেন খাবার সামগ্রী অথবা আর্থিক সহযোগিতা। শুধু ঢাকা শহরেই নয়, করছেন নিজ এলাকা কিশোরগঞ্জেও। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন এর খেলার মাঠে কর্মহীন হয়ে পড়া ৪০০ হতদরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং পিপিই দিয়ে যাচ্ছেন সমাজের ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ সাধারন মানুষদের। এফডিসির কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষ সহ বিনোদনবীট এর সাংবাদিকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এই ফাউন্ডেশনটি। এই দুর্যোগকালে ফাউন্ডেশনটির একটি মহৎ উদ্বেগ হচ্ছে পুরো রমজান মাসবেপি একদিন পর পর প্রায় তিনশত মানুষের বেশি ক্ষুদার্থ পথমানুষদের রাতের বেলা আহার দিয়ে যাচ্ছেন।

আসিফ নূর বলেন, আমার ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে সামর্থ্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছি। তবে ত্রাণ বিতরণের নামে যদি জনসমাগম করি তাহলে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হচ্ছে বেশি। প্রত্যেক কে সচেতনার সাথে ত্রাণ বিতরণ করতে হবে। সকল নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। সবাই এই যুদ্ধের সৈনিক। প্রত্যকে নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করেই এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। সবাই সচেতন হয়েই সাহায্য করবেন। আমরা সবাই সরকারের দিক নির্দেশনা মেনে চলব। তাহলেই এই যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হতে পারব। আর একটি কথা বলতে চাই যে, সকলের কাছে অনুরোধ আমরা যেন গুজব থেকে দূরে থাকি, এবং আমরা যখনই কোনো সংবাদ পড়ি তা যেন সঠিক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যম থেকে পড়ি, তা না হলে গুজব আমাদেরকে করোনা থেকেও ভয়াবহভাবে ক্ষতি করবে। আপনাদের মাধ্যমে আমি বলতে চাই যারা খুব অসহায় সময় কাটাচ্ছেন, তারা দয়া করে দীন মোহাম্মাদ ফাউন্ডেশনের সাথে যোগাযোগ করবেন, আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকবো।”

কোন মন্তব্য নেই