বঙ্গবন্ধুর খুনিরা আজীবন ঘৃণিত হয়ে থাকবে- এমপি দিদার

সীতাকুণ্ড, পটিয়া ও লোহাগাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

0
সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন সাংসদ দিদারুল আলম।

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে ১৫ আগস্ট লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে এবং এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবে চিহিৃত হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন সীতাকুণ্ডের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে বেলা ১১ টায় প্রশাসনের উদ্যেগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলা চত্বরে একে একে পুষ্পমাল্য নিয়ে মিলিত হয় উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল বাঁকের ভূঁইয়া। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার এডিশনাল এসপি শম্পা রানী সাহা, সসহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, মডেল থানার অফিসার ফিরোজ হোসেন মোল্লা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুরুউদ্দীন রাশেদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র চক্রবর্তীসহ প্রশাসনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অপর দিকে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও শোক দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সভা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল বাঁকের ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র মুক্তিযুদ্ধা বদিউল আলম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী, সাঈদ মিয়া, রতন মিত্র, ইউপি চেয়ারম্যান মনির আহমেদ, নাজিম উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগ সভাপতিি মোঃ শাহজাহান, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শাহেস্তা খান, সাবেক অর্থ সম্পাদক আলাউদ্দীন, শ্রমিক নেতা নুর মোহাম্মদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলামসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

##

পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে বক্তব্য রাখছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

পটিয়ায় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সামশুল হক চৌধুরী

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে শোষণ-বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল, সে স্বপ্নকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেই তারা ক্ষান্ত হননি, সংবিধান পরিবর্তন করে তারা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদেরকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের লেবাস দিয়েছিলেন।

হুইপ বলেন, মানুষের সকল অধিকার সেদিন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সম্পর্কিত সবকিছুকে সেদিন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জয় বাংলা, বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চের ভাষণ সেদিন নিষিদ্ধ ছিল। আজকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাদের মায়া কান্না সত্যিই হাস্যকর।

পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। আজ সকাল ৬টায় জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি, সকাল ১০টায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল, সকাল ১১টায় আলোচনা সভা ও দুপুর ১টায় এতিমদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।

হুইপ আজ শনিবার পটিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলী আয়োজিত আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ ক ম শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদের সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সাংসদ চেমন আরা তৈয়ব, ভাইস চেয়ারম্যান তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম সিরু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমা সহ উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সামশুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সামরিক শাসক আইয়ুব খানের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। জিয়াউর রহমান আবার সেই বাংলাদেশে সেনা শাসনের জগদ্দলের পাথর চাপিয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে বারবার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

##

লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী।

শোকদিবসে লোহাগাড়ায় আওয়ামী লীগের খতমে কুরআন, মিলাদ ও শ্রদ্ধাঞ্জলী অপর্ণ
লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় নানা কর্মসুচী আয়োজনের মাধ্যমে জাতির জনকের ৪৫তম শোক দিবস পালন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে ১৫ আগষ্ট (শনিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী অপর্ণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী।

সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে ৫শ’ দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে খতমে কুরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী। বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতীব হাফেজ ক্বারী মাওলানা আব্দুল গফুর।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাশেম মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিন্টু, মুজিবুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মাহমুদুল হক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক আবু ইউসুফ, কার্যনির্বাহী সদস্য মামুন-উর রশীদ চৌধুরী, নুরুল আবছার, সলিল কান্তি বড়ুয়া, হারুনুর রশিদ রাসু, নুরুল হক, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হেফাজত উল্লাহ, বড়হাতিয়া ইউনিয়ন সভাপতি সাজেদুর রহমান চৌধুরী দুলাল, আধুনগর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, পদুয়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আবচার আহমদ, মিরান হোসেন মিজান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক আবছার উদ্দিন, ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক তৌহিদুল হাসান, শ্রমিকলীগের দপ্তর সম্পাদক মো : হোসেন মাসুম, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার কামাল পারভেজ, কাজী রায়হান, ফজলুল কাদের, নাজিম উদ্দিন, ফয়েজ আহমদ ও লাবলু প্রমুখ।

লোহাগাড়া কলাউজান হরিনাবিল এলাকায় শোকদিবসের আলোচনা সভা, খতমে কুরআন, দোয়া মাহফিল।

এদিকে, দুপুর ১টায় কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কলাউজান হরিনাবিল এলাকায় শোকদিবসের আলোচনা সভা, খতমে কুরআন, দোয়া মাহফিল ও কাঙ্গালীভোজের আয়োজন করা হয়। কলাউজান ইউনিয়ন সভাপতি গাজী ইছহাক মিয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাশেম মিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিন্টু। এতে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মিরান হোসেন মিজান, জাহাঙ্গীর আমিন, ডা: আশুতোষ নাথ, আব্দুল কুদ্দুছ সিকদার, ডা : মধুসূদন চক্রবর্ত্তী, মুক্তিযোদ্ধা পুলিন দে, মো: শফিক আহমদ সওদাগর, আজিজুর রহমান সওদাগর, মো : রিপন, গোলাম আজম শুক্কুর, সাইফুল আলম, এস্তফাজ ফকির, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহমুদুল হক, সাধারণ সম্পাদক প্রীতি কুসুম বড়ুয়া, কৃষক লীগ নেতা বদিউল আলম ও গোলাম কাদের প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই