ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের সহযোগিতায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা

0
.

ফটিকছড়ি সদর বিবির হাট বাজারে দোকানে জোড়পূর্বক তালা মেরে দিয়েছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষরা।

মঙ্গলবার সকালে বিবিরহাট সদরে খাজা টেলিকম নামের একটি দোকানে ৫ টি তালা মেরে দেয়। বিকেল ওই দোকানে পুলিশ উপস্তিত হলে পুলিশের সামনেই উক্ত ভাড়াটিয়াকে মারধর করতে চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ গং। এ ঘটনায় ফটিকছড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফটিকছড়ি সদর বিবিরহাটের গরুর বাজারের সামনে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে খাজা টেলিকম নামেন মোবাইর শপের দোকানে ব্যবসা করে আসছেন মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে দোকান খুলতে দেখেন দোকানে আরো ৫ টি অতিরিক্ত তালা দিয়ে লক করা।

বিষয়টি দেখে তিনি ফটিকছড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাসান। বিকেলে পুলিশসহ তালা খুলতে এসে দেখেন কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী পুলিশের উপস্থিতিতে দোকান খুলতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের সঙ্গে দোকান ব্যবসায়ীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ উভয় পক্ষকে শান্ত করে থানায় বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানে প্রতিশ্রোতি দিয়ে থানায় নিয়ে যান।

স্থানী সুত্র জানায়, তালা ঝুলিয়ে দেওয়া খাজা টেলিকম জায়গাটির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ফটিকছড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের উজির আলী জমাদার বাড়ির আবুল বশর ও তার ভাই মোহাম্মদ নাছিরের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে।

উক্ত দোকানটি আবুল বশরের দখলে থাকায় আবুল বশর থেকে ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টেলিকমের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে হাসান। মঙ্গলবার চালু থাকা একটি দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় বড় ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান বলেন, উক্ত জায়গাটির মালিক যেই হবেন তাকেই আমি ভাড়া দিব। কিন্তু এভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় আমার দোকান বন্ধ করে দিতে পারে না। আমি থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন সুরাহা পাচ্ছি না।

বিবিরহাট বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, বাজারের কোন দোকানে এভাবে তালা মেরে দেওয়া খুবই অন্যায়। জমিদারদের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু ভাড়াটিয়ার তো ক্ষতি করা যাবে না।

ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রিদুয়ান বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষকে থানায় উপস্থিত হতে বলেছি। আদালতে অর্ডার ছাড়া কোন দোকানে তালা দেওয়া অবশ্যই অন্যায়।

কোন মন্তব্য নেই