চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা: এবার স্বামী বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা

0
শশুর মোশাররফ হোসেন ও বাবুল আক্তার।

পুলিশের চাকুরীচ্যূত সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে এবার স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার মামলা দায়ের করেছে মিতুর পরিবার।। আজ বুধবার (১২ মে)।নিহত মিত্যুর বাবা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন সিএমপির পাচঁলাইশ থানায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাসেম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, নিহত মিতুর বাবা পুলিশের সাবেক পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন মিতু হত্যার মামলা করেছেন। এতে বাবুল আক্তারসহ ৮জনকে আসামী দেখানো হয়েছে।

মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, বাবুল আক্তারকে এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে। সে সাথে আগের মামলায় গ্রেফতার হওয়া কিলিং মিশনের সদস্য মুসা, কালু, অস্ত্র সরবরাহকারী এহেতাশামুল ভোলা, তার সহযোগী মুনীর, মোটর সাইকেল সরবরাহকারী সাইদুল আলম সিকদার ওরফে সাক্কু, শাহজাহান, আনোয়ার এবং ওয়াসিমকে আসামি হিসাবে রাখা হয়েছে।

বাবুল আকতারের নির্দেশে মুসা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার পাশাপাশি কিলিং মিশনের নেতৃত্ব দিলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তার খোঁজ পায়নি। আরও দু’জন আগেই পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আকতার চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনের সময় মুসা ছিল তার বিশ্বস্ত সোর্স। মিতু হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আক্তার তাকে ফোন এবং এসএমএস দিয়েছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে পিবিআই।

.

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দল বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের হেফাজতে নেয়ার কথা জানান।  তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পর বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানায় পিবিআই’র একটি সূত্র।

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার বাদী ছিলেন স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। তদন্তে তার বিরুদ্ধে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মিতু হত্যার আগের মামলা ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছে পিবিআই।

জানা গেছে, বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে। আদালতে তোলা হবে।

এদিকে থানায় মামলা করতে আসা বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যে কারণে বাবুল আক্তার চট্টগ্রামে সেই কারণে আমিও চট্টগ্রামে। আমার মেয়ের খুনের সঙ্গে বাবুল আক্তার যে জড়িত সেটা আগেই আমি উত্থাপন করেছিলাম। এবার তার বিরুদ্ধে মামলা করতে এসেছি।

কোন মন্তব্য নেই