নগরীতে লকডাউনে ভ্রাম্যমান আদালত: ২১৬ মামলায় জরিমানা ৮৬ হাজার

0
.

করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সরকারের জারিকরা লকডাউন অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প২১৬ টি মামলা ও ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৮ জন, বিআরটিএ ২ জন ও সিটি কর্পোরেশনের ১ জনসহ ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মামলা ও জরিমানা আদায় করেন ।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাটশপিংমল খোলা রাখা, অপ্রয়োজনে রাস্তায় ঘুরাফেরা করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত রাস্তায় বের হাওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২১৬ টি মামলায় ৮৬,৪০০- অর্থদণ্ড করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত ও মনিটরিং কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার,বিজিবি ও পুলিশ সদস্যগণ সার্বিক সহযোগিতা করেন।

.

চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মাসুমা জান্নাত ,এ সময় ৩৩ টি মামলায় ৫০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। পাশাপাশি আকবরশাহ, বায়েজিদ, হালিশহর ও পাহাড়তলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা, এ সময় ২২ টি মামলায় মোট ১২৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

খুলশী, চাঁন্দগাও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় ৩১ টি মামলায় ৮৪৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, এ সময় ১৭ টি মামলায় ১৬০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

চান্দগাও, পাচলাইশ ও খুলশী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ানু ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সোনিয়া হক এ সময় ১১ টি মামলায় ৬০৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

নগরীর বন্দর, পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্লাবন কুমার বিশ্বাস তিনি ০৯ টা মামলায় মোট ৯৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

অন্যদিকে নতুনব্রীজ, মইজ্জারটেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বিআরটিএ এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার দাস ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহারিয়ার মুক্তার, এ সময় ১৬ টি মামলায় ৪১০০ টাকা অর্থদন্ড আদায় করেন। বাকলিয়া, চকবাজার, চান্দগাও, পাঁচলাইশ, হালিশহর, পাহাড়তলি, লালখান বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, তিনি ২১টি মামলায় ৪৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কোন মন্তব্য নেই