বাবা হচ্ছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক

2
railminister1120160212094100
বিয়ের সময় তোলা ছবি রেলমন্ত্রী ও তার স্ত্রী হনুফা: ফাইল ছবি

বাবা হতে চলেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। এমন সুসংবাদ নিয়ে রেলমন্ত্রীর ঘরে আসছেন নতুন অতিথি। বিয়ের পর এটিই হবে তাদের প্রথম সন্তান।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে মন্ত্রীর পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, রেলমন্ত্রীর স্ত্রী এরই মধ্যে গর্ভধারণের নয়মাস পার করেছেন। চিকিৎসকরা অবশ্য আগেই চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে সম্ভাব্য তারিখ দিয়ে রেখেছিলেন। মা হওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়েই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

railminister320160212093037
বর বেশে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও তার নববধূ হনুফা -ফাইল ছবি

স্কয়ার হাসপাতালে যোগাযোগ করা হলে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে অপারগতা জানায়। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালে জনসংযোগ বিভাগের এক কর্মকর্তা রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর ভর্তির সত্যতা নিশ্চিত করে করেছেন।

অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই রেলমন্ত্রীর স্ত্রী হনুফা আক্তার স্কয়ার হাসপাতালের একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যে সুখবরটি আসবে।

এ বিষয়ে, জানতে চাইলে শুক্রবার সালে মুঠোফোনে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো সুসংবা নেই, হলে তো দেখতেই পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ’ বলে মোবাইলের সংযোগ কেটে দেন রেলমন্ত্রী।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর ৫ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মীরাখোলা গ্রামের মেয়ে হনুফা আক্তার রিক্তার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন মুজিবুল হক।

rail-minister-mojibul-haque_15897
রোমান্টিক মুডে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক -ফাইল ছবি

একটু বেশি বয়সে বিয়ে করলেও সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই কনেকে ঘরে তুলেন রেলমন্ত্রী। গায়ে হলুদ, কনের বাড়িতে ধুমধামের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন, ঢাকা থেকে বরযাত্রী নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে বৌভাত কোনটারই এই বিয়েতে কমতি ছিল না।

১৯৪৭ সালের ৩১ মে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে মো. মুজিবুল হক জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে তিনি চৌদ্দগ্রাম থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি রেলপথমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৮৫ সালের ২০ মে হনুফা আক্তার ওরফে রিক্তা জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সালে গল্লাই আবেদা নূর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে রিক্তা এসএসসি পরীক্ষা ও যথাক্রমে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

Advertisements