ফেনীতে চাচাকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩

0
.

ফেনীর দাগনভূঞায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাঠি ও ইটের আঘাতে নিহত হয়েছেন অটোরিকশা চালক নুরুল আফছার (৪৫)।

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের জায়লস্কর গ্রামের শাহ আলম মাস্টার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে সফিকুর রহমানের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪০), তার দুই ছেলে মো. জনি (২৩) ও মো. জাহিদ হোসেনকে (২০) আটক করেছে পুলিশ।

নিহত নুরুল আফছার দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের জায়লস্কর গ্রামের শাহ আলম মাস্টার বাড়ির আব্দুল বারিকের ছেলে। নিহত আফছার পেশায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাম হাসান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় জায়লস্কর ইউনিয়নের জায়লস্কর গ্রামের বাড়িতে ঘরে ঝাড় দিয়ে ময়লা আবর্জনা পথিমধ্যে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনি ও জাহিদের মা রোকেয়া বেগমে সাথে তাদের চাচি পারভীন আক্তারের (জনির চাচি) ঝগড়া শুরু হয়। ঝগড়া সন্ধ্যা গড়িয়ে রাতেও চলতে থাকে। একপর্যায়ে মহিলাদের সাথে বাড়ির পুরুষ সদস্যরাও গিয়ে ঝগড়ায় যোগ দেয়। এ সময় জনির চাচা নুরুল আফছার ঝগড়া থামাতে এগিয়ে যায়।

এতে জনি ও জাহিদ আরও ক্ষিপ্ত হয়। তাঁরা চাচার পক্ষপাতিত্বে অভিযোগ তুলে ঝগড়া শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা চাচা নুরুল আফছারকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুসি ও লাঠি দিয়ে পিটাতে শুরু করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

স্থানীয় জায়লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মিলন জানান, চাচা নুরুল আফছারের সাথেও আগে থেকে জনি ও জাহিদদের বিরোধ ছিল। সে কারনে তারা আগে থেকে চাচার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল।

দাগনভূঞা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পার্থ দেব জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আটকৃতরা ছাড়াও শফিকুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই