দক্ষিণ আফ্রিকায় ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বাংলাদেশের

0
.

তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিং ও তামিম-লিটনের অসাধারণ জুটিতে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো টাইগাররা।

বুধবার সেঞ্চুরিয়নে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নেমে তাসকিনের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে মাত্র ১৫৪ রানে প্রোটিয়াদের অলআউট করে টাইগাররা। এরপর বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস গড়া সময়ের ব্যাপার হয়ে উঠে মাত্র।

তাসকিনের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যের পর তামিম ও লিটন টাইগারদের জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে নেতৃত্ব দেন।

আরও পড়ুন: তাসকিনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৫৪ রানে অলআউট দ. আফ্রিকা

এ জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জিতলো। এর আগে প্রোটিয়াদের ঘরের মাটিতে টাইগারদের কোনো জয় ছিল না।

মাত্র ১৫৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম উইকেটে ১২৭ রানের অসাধারণ জুটি করেন তামিম ও লিটন। নান্দনিক শটের মাধ্যমে অর্ধশতকের পর তামিম যখন ব্যাট করছেন তখন ৫৭ বলে ৪৮ করে ফেরেন লিটন। তবে কেশব মহারাজের বলে লিটন ফিরে গেলেও ততক্ষণে জয়ের বন্দরের খুব কাছে চলে যায় বাংলাদেশ।

২৭তম ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে সাকিবের চারের কল্যাণে ২৩ ওভারের বেশি বাকি থাকতেই ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: দ. আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের হয়ে তামিম ৮৭ রানে ও সাকিব ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে সেঞ্চুরিয়নে টসে হেরে ফিল্ডিং করতে নেমে তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভর করে ৩৭ ওভারে ১৫৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অলআউট করে বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম উইকেটে মাত্র ৬ ওভার ৫ বল খেলে স্কোরবোর্ডে ৪৬ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরই তাসকিন বোলিং এ এসে স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে দেন।

কাইল ভেরেনের উইকেটের মাধ্যমে শুরু করেন তাসকিন। তিনি ১৬ বলে ৯ রান করে তাসকিনের বলে ফেরেন। এরপর একে একে জ্যানেমান মালান, ডেভিড মিলার, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ও কাগিসো রাবাদার উইকেট নেন তাসকিন।

এছাড়া এর মাধ্যমে ডানহাতি এ পেসার তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট নেন। এর আগে ২০১৪ সালে অভিষেক ম্যাচে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

তাসকিন এ ম্যাচে ৯ ওভার বল করে ৩৫ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের হয়ে সাকিব আল হাসান দুটি উইকেট নিয়েছেন।

স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন মালান। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন কেশব মহারাজ।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ৩১ মার্চ থেকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে।

কোন মন্তব্য নেই