কর্ণফুলী বাজারে দুটি দোকানে মিলেছে দুই হাজার লিটার মজুদ করা সয়াবিন তেল

0
.

চট্টগ্রাম ভোজ্যতেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ফায়দা নেয়ার মূল কাজটি যে খুচরা ব্যবসায়ীদের, সেটাই এখন স্পষ্ট। চট্টগ্রামে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে প্রতিদিনই মিলছে খুচরা পর্যায়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা সয়াবিন তেল।

আজ শনিবারও (১৪ মে) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী বাজারে দুটি দোকানে মিলেছে দুই হাজার লিটার। তাদের ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি একটি দোকান সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

.

এর আগে এই মার্কেটে শুক্রবার (১৪ মে) অভিযান চালিয়ে দেড় হাজার লিটার তেল উদ্ধার করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সংস্থাটির সহকারী পরিচালক দিদার হোসেন জানান, খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে যেন জিম্মি সাধারণ মানুষ। ভাজ্যতেল মজুত থাকার পরও বিক্রি না করে তৈরি করছে কৃত্রিম সংকট। অতি মুনাফার জন্য কখনও মজুত করে, কখনও বোতলজাত তেল খোলা বাজারে আবার কখনও পরিবেশকের কাছে মজুতসহ নানা অপকৌশলে খুচরা ব্যবসায়ীদের তেল মজুত ও বিক্রির চিত্র উঠে আসছে অভিযানে।

আজ শনিবারের অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার। তিনি জানান, গেল কয়েক মাস ধরে টানা অভিযানে এখন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে। বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে। কে কোথায় তেল মজুত করছেন তার তথ্য সংস্থাটির হটলাইনে নিয়মিত পাচ্ছেন তারা। সে মোতাবেক অভিযান চালানো হয়। তাই যারা মজুত করছেন তারা যেন বিক্রয় করে ফেলেন, না হয় তথ্য পেলে অভিযান চালানো হবে বলে হুশিয়ার করেন এই কর্মকর্তা।

.

এদিক সংস্থাটির এ ধরনের অভিযানকে সাধুবাদ জানান ভোক্তারা। তাদের দাবি, তেলের জন্য পাগল হয়ে গেলেও কেউ তেল বিক্রয় করে না। যার কাছে আছে তারাই বাড়তি দাম চায়। এ ধরনের অভিযানের জন্য সরকার ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তারা।

এর আগের দিন শুক্রবার (১৩ মে) দুপুরে চৌমুহনীর কর্ণফুলী মার্কেটে অভিযান চালিয়ে মজুমদার স্টোর ও রশিদ এন্ড ব্রাদার্সের গোডাউন থেকে আড়াই হাজার লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়।

মজুমদার স্টোরে ২২শ লিটার তেল পাওয়ায় দোকানীকে ২ লাখ টাকা ও রশিদ এন্ড ব্রাদার্সে ৩শ লিটার তেল পাওয়ায় দোকানদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উল্লেখ্য, গেল কয়েক মাসে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার লিটারের বেশি ভোজ্যতেল।

কোন মন্তব্য নেই