চট্টগ্রামে ছাত্রদলের সভায় খন্দকার মাহবুব হোসেন
খালেদা জিয়া গ্রেফতার হলে তা হবে সরকারের জন্য আত্মহত্যার শামিল

0
CTG PIC BNP-2
চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হলে তা সরকারের আত্মহত্যার শামিল হবে উল্লেখ করে খন্দবলেছেন, সরকার গণতন্ত্র চায় না, গণতন্ত্রের নামে তারা দেশে একনায়ক তন্ত্র চালাচ্ছে। দেশের মানুষ বুকে পাথর চাপা দিয়ে আছে। দেশের কোন মানুষ আজ ভাল নেই। দেশের গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের সংগ্রামে, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের মহাপুরুষ ছিলেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র যখন বিপন্ন, দেশের মুক্তিপাগল মানুষ যখন মুক্তিরযুদ্ধের ঘোষণার জন্য অধির অপেক্ষায় ছিলেন, সেদিন যাদের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল তারা যখন নিচ্ছুপ ছিলেন তখন শহীদ জিয়া ব্যারাক থেকে ফিরে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

CTG PIC-1
জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখছেন (ডান থেকে) খন্দকার মাহবুব হোসেন, ডা.শাহাদাত, সাংবাদিক কাদের চৌধুরী, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, ছাত্রদল নেতা গাজী সিরাজ ও কামরুল ইসলাম।

নগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির এ প্রবীণ নেতা আরো বলেন, শহীদ জিয়া নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেদিন দেশের মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনী বাতিল করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। শহীদ জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা চালু করার কারণে আজ আওয়ামী লীগ ও রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছে।

এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, নাইকো ও গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাসহ অন্যান্য দুর্নীতির মামলায় আজকের সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ অনেক মন্ত্রীরাও জড়িত ছিলেন। কিন্তু ১/১১ পরবর্তী মঈন-ফখরুদ্দীন গং এর সাথে আতাত করে ক্ষমতায় এসে সকল প্রকার মামলা থেকে সরকার তাদের দলীয় নেতাকর্মীদেরকে অব্যাহতি দিয়েছে। পক্ষান্তরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও নতুন নতুন মামলা দিয়ে সাজা দেওয়ার পায়তারা করছে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী, আমার দেশ চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন সোহেল, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা জেলি চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, নগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আখি সুলতানা, কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুর রহমান রিপন, বাকলিয়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম মাহমুদ প্রমুখ।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন