মেলায় এসেছে সাংবাদিক মুকুলের নতুন দুটি ভিন্ন স্বাদের বই

1
নতুন দুটি বইয়ের প্রচ্ছদ এবং লেখক।

এবারের একুশে বই মেলায় এসেছে সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রকিবুল ইসলাম মুকুলের ভিন্ন স্বাদের দু’টি বই- রোমান্টিক উপন্যাস ‘প্রজাপতি মন’ ও সায়েন্স ফ্যান্টাসি ‘ব্ল্যাক নাইট’।

বই দুটি প্রকাশ করেছে অনিন্দ্য প্রকাশ। আর বই দুটির প্রচ্ছদ করেছেন-ধ্রুব এষ।

রকিবুল ইসলাম মুকুল দেশের একজন জনপ্রিয় সাংবাদিকই শুধু নন, পাঠকপ্রিয় লেখক হিসেবও তার একটা পরিচিতি রয়েছে। গত একুশে বই মেলাতেও তাঁর দুটি উপন্যাস পাঠকপ্রিয়তা পায়। তার মধ্যে ‘এখন অনেক রাত’ উপন্যাসটি পাঠক মনে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল।

ব্ল্যাক নাইট এর কাহিনী সংক্ষেপ : ব্ল্যাক নাইট। রহস্যময় এক স্যাটেলাইট। ১৯৬০ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে অদৃশ্য হয়ে যায়। তারপর থেকে আর খোঁজ মেলেনি। রহস্য ভেদ করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ৫৬ বছর পর সে রহস্যের জালে অবশেষে আটকে গেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা। ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে ব্ল্যাক নাইটের। বিজ্ঞানীদের নাকাল করে দেওয়া স্যাটেলাইটটি মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নাসারও। শেষ পর্যন্ত কি বিজ্ঞানীরা পারবেন এই রহস্য ভেদ করতে?

উপন্যাস প্রজাপতি মন এর কাহিনী সংক্ষেপ : মনের যদি পাখির মতো ডানা থাকত? প্রজাপতির ডানা থেকে রঙ ধার করে উড়ে বেড়াত! তাই বলে কি বেঁধে রাখা যায়- আটকে রাখা যায় বুকের খাঁচায়? উড়ু উড়ু মন প্রজাপতির ডানায় ভর করে হাওয়ায় নেচে বেড়ায়। কখনো হোঁচট খায় ঝোড়ো বাতাসে। আহত ডানায় নতুন স্বপ্ন বেঁধে মন উড়ে চলে দূর-দূরান্তে। এই নেচে বেড়ানোর আনন্দ নিয়েই বাঁচতে চায় নীলিমা। নীলাম্বরী নামেও ডাকে অনেকে। নীল শাড়ি আর নীল টিপ- মনভুলোনো হাসি এই তো আছে নীলিমার। আছে একটা ছোট্ট ছাদ, ছাদ পেরিয়ে বিশাল আকাশ। রাশি রাশি তারা। প্রজাপতি মন নিয়ে উড়ে বেড়ায় নীলিমা। কখনো হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়- আবারও স্বপ্নের মালা গেঁথে ঘুরে দাঁড়ায়। নিজের ভেতরের টানাপড়েনগুলোকে ঘষে নেয় কষ্টিপাথরে। ভুল করে কি ভালোবাসা যায়? নাকি ভালোবেসে ভুল করে মানুষ। প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে বেলা বয়ে যায়।

লেখক রকিবুল ইসলাম মুকুল বই নিয়ে তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন,‘শান্তি লাগছে। ২৫ হাজার ৪০৭টি শব্দের মালা গেঁথে, ছাপার অক্ষরে তা বেঁধে বই আকারে রূপ দিতে পেরে। আশা করি ‘প্রজাপতি মন ও ব্ল্যাক নাইট’ পাঠকদের ভাল লাগবে। পড়ার পর মন খারাপ হবে, মন ভাল হবে, কান্না পাবে হাসি আসবে-আবার কোথাও কোথাও খানিকটা এর পরে কি! এমন অনিশ্চয়তার ভাব হবে। কাজেই শুরু করলে শেষ করার সময়টা নিশ্চই বের করে নেবেন প্রিয় পাঠকরা। শুভাশীষ চাই, ভালবাসা দীর্ঘজীবী হোক।’

এবারের বই মেলায় বই দুটো পাওয়া যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনিন্দ্য প্রকাশের স্টলে। স্টল নম্বর: ৪৫৬-৪৫৯।