বাশঁখালিতে নির্বাচন স্থগিত
এমপি’র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত

0
এমপি মোস্তাফিজুর রহমান

চট্টগ্রামের বাশঁখালির সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের হাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা শাররীক নাজেহাল হওয়ার ঘটনায় এমপি’র মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সাথে বাঁশখালির উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট স্থগিত করেছে কমিশন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন,‘নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধরের কারণে বাঁশখালী উপজেলার সব নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এই মামলা করবেন।’

তবে রাতে প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাতেন বলেন, আমরা নির্বচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কথা জেনেছি। তবে এব্যাপারে এখনো লিখিত নির্দেশনা আমার হাতে আসেনি। লিখিতপত্র পাওয়ার পর পরই আমরা মামলা দায়ের করবো। হয়তো আগামীকাল বৃহস্পতিবার মামলা করতে পারবো ।

আহত নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম
আহত নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম

উল্লেখ্য বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার জাহিদুল ইসলামকে নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে ডেকে নিয়ে এমপি’র কথা মত নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ায় তাকে বেদমভাবে মারধর করেন সরকার দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।

পরে আহত নির্বাচনী কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে মারধরের বিষয়টি অস্বিকার করেছেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন,

আমার ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রে সে মো.ফরহাদ উদ্দিন নামে একজনকে সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছি। ফরহাদকে সে উল্লেখ করেছে কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।  কিন্তু কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে জানিয়েছেন এই নামে তার স্কুলে কোন শিক্ষক নেই।  শুধু ফরহাদ নয়, বাঁশখালীর সাধনপুর, কালীপুর, জলদি ইউনিয়নের স্কুল থেকে সে কাউকে প্রিজাইডিং কিংবা পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়নি।  কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া থেকে জামায়াত-শিবিরের সমর্থকদের এনে সে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছে।

‘আমি যখন তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে বলে “কাকে দায়িত্ব দেব সেটা কি আপনাকে জিজ্ঞেস করে দিতে হবে ? এসময় আমি উত্তেজিতভাবে তাকে দু’চারটা কথা বলি।  তার গায়ে হাত দেয়নি কেউ। এখন সে এই ঘটনাকে রং লাগিয়ে প্রচার করছে, আমি তাকে পিটিয়েছি।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন