মিতু হত্যায় মামলায় গ্রেফতার গুন্নু ও রবিন রিমান্ডে

0
CTG
গ্রেফতারকৃত রবিন ও গুন্নুকে ৭ দিন রিমাণ্ড দিয়েছে আদালত

এসপি বাবুল আক্তারের সহধর্মিণী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মাজারের খাদেম আবু নছর গুন্নু (৪০) ও জামান ওরফে রবিনের (২৮) ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রবিবার বিকেলে রিমান্ড নিয়ে শুনানিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হারুনুর রশিদের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী রাকিব উদ্দিন আবু নছর গুন্নুর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত আজ রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু এরই মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয় সিএমপির সহকারী কমিশনার (পশ্চিম) কামরুজ্জামানকে। তিনি দুপুরে গুন্নু এবং জামান ওরফে রবিনের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন আদালতে।

মহানগর পিপি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, মিতু হত্যার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুই আসামির আলাদাভাবে ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা করেছিলেন। পরে আদালত দুজনের ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

mito MURDER-পুলিশ জানায়, মিতু হত্যা মামলায় বুধবার (৮ জুন) সকালে হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ থেকে মুসাবিয়া দরবারের খাদেম আবু নছর এবং শনিবার (১১ জুন) সকালে নগরীর বায়োজিদ থানার শীতলঝর্ণা এলাকা থেকে সন্দেহভাজন যুবক জামান ওরফে রবিনকে গ্রেফতার করা করে।

পুলিশের দাবি, আবু নছর আগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদ গ্রামে। তিনি হত্যাকাণ্ডের দিন ঘটনাস্থলে ছিলেন। যা তার মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

অপরদিকে মাজারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বলা হয়, গুন্নু কখনো জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। মূলত মাজারের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পুলিশকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে পুলিশের স্ত্রী হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন ভোর সাড়ে ৬টার দিকে দিকে নগরীর জিইসি মোড়ে প্রকাশ্যে গুলি করে পুলিশের এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন