রাঙ্গামাটিতে তৃতীয় দিনে ৫ মৃতদেহ উদ্ধার

0
.

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ সেনা সদস্য মো. আজিজসহ আরো ৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের সার্কিট হাউজে পিছনে পাহাড়ি খাদ থেকে এক নারী, ভেদভেদী বিএডিসি এলাকা থেকে ১জন ও শহরের মানিকছড়ি পাহাড়ী খাদ থেকে আরো একটি লাশসহ ৫জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন রাঙ্গামাটি থেকে এ খবর নিশ্চিত করে পাঠক ডট নিউজকে।

.

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ৩টি স্থান থেকে এই তিনটি লাশ উদ্ধার করে। এর মধ্যে দুটি পুরুষ ও একটি মহিলা রয়েছে। এ পর্যন্ত রাঙ্গামাটিতে নিহত সংখ্যা ১০৮ জন।

এর মধ্যে রাঙ্গামাটি শহরে ৫ সেনা সদস্যসহ ৬১ জন, কাউখালী উপজেলায় ২৩ জন, কাপ্তাই উপজেলায় ১৮ জন, জুরাছড়ি উপজেলায় ৪ জন ও বিলাইছড়ি উপজেলায় ২ জন মারা গেছে।

সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা শহরের ভেদভেদী যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মনোঘর, লোকনাথ মন্দির এলাকা, শিমুলতলী, রূপনগর, মানিকছড়ি এলাকাসহ আশেপাশে এলাকায় আরো নিহতের সন্ধ্যানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর শালবন এলাকায় ১০০ মিটার রাস্তা ৩০ ফুট জায়গা পাহাড়ের নিচে তলিয়ে গেছে। রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ১০০ মিটার রাস্তা ৪০ থেকে ৫০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে।

.

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কের পাশে পাহাড়ে পুনরায় কেটে বাইপাস করে সড়ক তৈরির চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী ও সড়ক বিভাগের কর্মীরা।

রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানসমূহে মাটি সরানোর কাজ শুরু হলেও এখনো সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের ও পাহাড় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি শহরে গত ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্ন ঘটায় টেলিযোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের মাটি ভেঙ্গে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। পানি ও বিদ্যুৎ সংকটে মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন