সিইপিজেড-এ বকেয়া বেতনের দাবীতে বেপজা অফিস ঘেরাও

1
.

চট্টগ্রামের ইপিজেড এ অবস্থিত কোরিয়ান মালিকানাধীন পোশাক তৈরীর কারখানা ইয়ং ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড এর শ্রমিকরা দীর্ঘ ৭ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে বেপজা অফিস ঘেরাও করে রাখে।

আজ দুপুর দেড়টা নাগাদ শ্রমিকরা বেপজা অফিস ঘেরাও করে রাখে তাদের পাওনা পরিশোধের দাবিতে। এসময় পরিস্থিতি শান্ত করতে মালিক পক্ষের হয়ে শ্রমিকদের কাছে ফের এক মাসের সময় চায় বেপজা কর্তৃপক্ষ । শ্রমিক প্রতিনিধি দল মালিক পক্ষকে আগামী আরো এক মাস সময় দিলে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বেলা ২টার দিকে বেপজা অফিস চত্বর ছেড়ে যায়।

শ্রমিকদের পক্ষ থেকে শ্রমিক প্রতিনিধি মো:আকাশ ও আল-আমিন পাঠক ডট নিউজকে জানায়, গত কোরবানি ঈদে কারখানার পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ৯ দিনের ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়। আর এই ছুটির ফাঁকে কারখানার মূল ফটকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কোরিয়ান এই পোশাক কারখানাটি বন্ধ থাকার নোটিশ লাগায় মালিক কর্তৃপক্ষ ।

.

আমাদের প্রায় ২৭০০ শ্রমিকের কারখানার ফান্ডে জমা টাকা প্রায় ৩০ কোটি এবং বকেয়া বেতন সহ প্রায় ৪০ কোটি টাকা না দিয়েই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আর অন্যদিকে মালিক ও বেপজা কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেটাতে মাসের পর মাস সময় নেয়। এ অবস্থায় আমরা আজ ফের আন্দোলনে নেমে বেপজা অফিস ঘেরাও করলে তারা আমাদের জানায় কারখানাটি বিক্রির পক্রিয়া চালাচ্ছে মালিক পক্ষ। আগামী এক মাসের মধ্যে কারখানা বিক্রির টাকা হাতে পেলেই আমাদের পাওনা বেতন পরিশোধ করা হবে।

এব্যাপারে বেপজা জি এম মো: খুরশীদ আলম পাঠক ডট নিউজকে জানায়, শ্রমিকরা তাদের পাওনা বেতনের দাবিতে আজ আমাদের কাছে আসলে আমরা ইয়ং ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড এর মালিক মিষ্টার কু এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আগামী এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ করা হবে। মালিক মিষ্টার কু তার মালিকানাধীন কারখানাটি বিক্রির পক্রিয়া চলছে বলে জানান যা এক মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ ভাবে শেষ হবে।

আমরা বেপজা কর্তৃপক্ষ মিষ্টার কু এবং তার পাঠানো প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা করে আগামী এক মাসের সময় চাই শ্রমিকদের কাছে আর এতে শ্রমিকরাও সহমত প্রকাশ করে।

তবে শ্রমিকদের পাওনা ৪০ কোটি টাকা হবে না বলে জানান বেপজার জিএম মো: খুরশীদ আলম। তিনি বলেন সঠিক হিসাবে এটা গিয়ে দাড়াবে প্রায় ৩৫ কোটিতে এর বেশি নয়।

Advertisements

প্রথম মন্তব্য

  1. যে সব প্রতিষ্ঠানে ঈদের সময়ও বেতন ও বকেয়ার জন্য আন্দোলন করতে হয় ওইসব প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃপক্ষের কি কোন মনুষ্যত্ব নেই। এরা বছরের পর বছর শ্রমিক-কর্মচারিদের কিভাবে কষ্ট দেয় তা অনুমেয়।

একটি মন্তব্য দিন