ক্ষমা চেয়ে, মুচলিকা দিয়ে রক্ষা
নারী চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করে চমেক-এ ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল (ভিডিও)

107

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে একজন শিক্ষানবীশ নারী চিকিৎসককে শাররীকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগে রাউজান উপজেলা চেয়ারম্য্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুলকে দুইঘন্টা আটক করে নাজেহাল করেছে সরকার সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপ বিএমএ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা। শনিবার রাতে চমেক হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্ষমা চেয়ে সাদা কাগজে মুচলিকা দিয়ে রক্ষা পান তিনি।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল হাসপাতলে রোগী দেখতে এসে একজন নারী ইর্ন্টানী চিকিৎসকের সাখে খারাপ আচরণ করেন। তাকে শারিরীক নির্যাতন করেন। তার চিৎকারে ডাক্তার, নার্স, কর্মচারীরা ছুটে গিয়ে চেয়ারম্যানকে আটক করে। পরে ডাক্তার, কর্তৃপক্ষ বিএমএ, স্বাচিপ যৌথ ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে মুসলিকা দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পাঠক ডট নিউজকে জানান ইফতারের পরপরই চমেক হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে এক রোগী দেখতে আসেন  উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল। এসময় তিনি সেখানে শোর চিৎকার শুরু করেন। সেখানে দায়িত্বরত ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকে তিনি গালাগাল করেন। তিনি প্রতিবাদ করলে  চিকিৎসককে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করেন। পরে ওই নারী চিকিৎসকের চিৎকারে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে এসে চেয়ারম্যান বাবুলকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

এদিকে অভিযুক্ত রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল সাংবাদিকদের জানান, তিনি এক রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এ সময় কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হন। পরে ইন্টার্ন চিকিৎকরা তাকে অপদস্ত করেন।

সাদা কাগজে মুচলিকা দিচ্ছেন বাবুল।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কর্মী ইর্ন্টানী চিকিৎসক রাকিব উদ্দিন তার ফেসবুক ওয়ালে লেখেন-“আজ শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে এক পরিচিত রোগীকে দেখতে যান রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যন ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল ওরফে ঘি বাবুল। এ সময় তিনি একজন নারী ইন্টার্ন ডাক্তারের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তাকে মারধর করেন। বিষয়টি জানতে পেরে অন্যান্য ডাক্তাররা দ্রুত এসে বাবুলকে আটক করেন। তাকে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত আটক করে রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডাক্তাররা। অবশেষে বিএমএ সভাপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে লিখিত মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল। আওয়ামী নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডাক্তারদের অভিনন্দন।”

 

107 মন্তব্য

  1. আমার খালাত বোন আগুনে পুড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেল আমার নিজের চোখে দেখেছি ডাক্তারদের গাফিলতি…

    কেউ আড্ডায় ব্যস্ত কেউবা মোবাইলে ব্যস্ত…

    ডাক্তার সাহেবদের কোন ভুল নাই..

  2. একজন জনপ্রতিনিধি অন্যায় করতেই পারে। তার কাছ থেকে মুচলেখা নিতেই পারে। তাই বলে নিজেই কাজি, নিজেই পাজি সেজে, নিজের অফিসে নিজস্ব বাহিনীর ক্ষমতাবলে…..???
    আমার জানা মতে, কারো কাছ থেকে মুচলেখা নিতে হলে তার একজন অভিভাবকের উপস্থিতিতে নিতে হয়। তারপর তার জিম্মায় দিতে হয়।
    এখানে বাবুল সাহেবের অভিভাবক কে ছিল….???
    উনাকে কার জিম্মায় ছাড়া হয়েছে….???
    বিষয়টি বাবুল সাহেব আইনগত ভিত্তি করতে পারেন।

  3. ডাঃ রা বেশীর ভাগ ডিওটি করার সময় আডডা বা জুয়া খেলা নিয়েব্যস্ত থাকে, রোগি মরে যাক, এদের কি, এরাই তো মাস শেয এ বেতন পাচ্ছে,কৈফিয়ত নেওয়ার কেঊ নাই,

  4. ডাক্তার না ডাকাত, টাকা লোভি ভয়ংকর ডাকাত বাহিনীর হাতে গোটা দেশের মানুষ জিম্মি,ওরা রোগির জীবনের চেয়ে টাকাকে গুরুত্ব দেয়, অবহেলা করে,কক্সবাজারের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ নুরুল আলমের মত মানব প্রেমিক ডাক্তার চায়,অন্য ডাক্তারেরা যদি তাকে অনুসরন করে তাহলে ডাক্তার হত আমাদের অহংকার,সম্মানের মুল পেশাজীবি,শ্রদ্ধেয় নুরুল আলম সাহেবের মত সৎ,রোগি প্রেমিক,নির্লোভ ডাক্তার চায়,উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতিবাদকে সেলুট জানায়,মুছলেকা বিষয় না,পিটা টা আসল ছিল

  5. ডাক্তরদের সেলাম না দিলে মাইন্ড খায়, গতবছর রোজায় এই চট্টগ্রাম মেডিকেল এ আমার কাছ থেকে জোরজবরদস্তি সেলাম আদায় করে নিছিলো নীতিহীন দুইজন ডাক্তার 🙁
    একটা পথ শিশুর ফাংশন ছিলো বলে মাফ চেয়ে ডাক্তর সাঁপের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিলাম 🙁
    মুখে একদলা থুথু জমে গিয়েছিলো, কিন্তু অসহায় বাচ্চাটির কথা ভেবে মেডিকেল এর বাইরে গিয়ে থুথু ঝেড়েছিলাম 🙁
    তবে সব ডাক্তার রা কিন্তু একনা….. অনেক অসাধারণ অসাধারণ ডাক্তার আছে যাদের মানবতাবোধ প্রকট…… তারা আছে বলে সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলো এখনো টিকে আছে, মহান আল্লাহপাক রাব্বুল ইজ্জৎ তাদের সহায় হোন-আমীন

    • সালাম দেওয়াটা খারাপ কাজ নয়। বরং যে আগে সালাম দেয় তাকে আমাদের ধরমে উত্তম বলা হয়েছে। তবে সালাম দিতে বাধ্য করাটা আমার নিকট অসৌজন্যতা মনে হয়েছে। তাছাড়া সালামের কিছু নিয়ম আছে সেটা সবাইকেই মানা উচিত যেমন ছোট বড়কে সালাম দিবে। দাড়ানো বা হেটে যাওয়া ব্যক্তি বসা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। গাড়ীতে যিনি থাকেন তিনি হেটে যাওয়া ব্যক্তিকে সালাম দিবেন। আমাদের নবীকে কেউ কখনো আগে সালাম দিতে পারেনি। আমরা হিনদু হই আর মুসলমান হই আমরা শুধু ধরমটাকে নিজেদের সুবিধার জন্যই ব্যবহার করি। আমরা যদি আমাদের নিজ নিজ ধরমকে শ্রদ্ধা করতাম তাহলে এই পরিস্থিতিগুলোর সৃষটি হতোনা।ধন্যবাদ ভাই Apurba Dhar.

    • Apurba Dhar ভাই,
      পুলিশ আর ডাক্তার কি এক ?
      যে দিনের ঘটনাটি আমি বলেছিলাম একেতো রোজা তার উপর বাচ্চা ছেলেটির অবস্থা ছিলো খারাপ, তাই ঐ ডাক্তার মহোদয় গনের পারমিশন না নিয়ে তাড়াহুড়ো করে ওনাদের রুমে ঢুকে গিয়েছিলাম, ওনারা দুইজনের একজন খুব সম্ভবত মোবাইলে চ্যাটিং অথবা গেইমস খেলতে ছিলো আর একজন অন্য এক এটেন্ডেন্স এর সাথে মনের ঝাল মিটাচ্ছিলো…… উনাকে আমার পেশেন্ট এর খোঁজখবর নেয়ার এক পর্যায়ে তিনি সরাসরি সালাম না দিয়ে চেম্বারে কেনো ঢুকলাম এই প্রশ্নটা করে বসলো…..দোনজন তর্ক জুড়ে দিলো,
      আমার তৎখনাৎ মনে হলো পৃথিবীর সবচাইতে দুইজন আস্ত আহাম্মক এবং লোভী ডাক্তারের পাল্লায় পড়েছি, সালাম দেওয়াটা আমাদের ধর্মে সুন্নত…… আমি বাচ্চাটাকে নিয়ে টেনশনে ছিলাম তাই তখনকার পরিস্থিতি আমার কাছে সালাম দেওয়ার মত ছিলোনা, মনের ভূলে এবং তাড়াহুড়োর কারনে পারমিশন নিয়ে ঢুকা বা সালাম দেওয়া হয়ে উঠেনাই…….

    • সব প্রশিক্ষণে সেবা প্রদানকারীকে কাউন্সেলিং শিখানো হয়
      G- greetings/ Welcome
      A- ask your patient
      T- treat him, tell him
      H- hear his problem
      E- evaluate
      T- Tell him for return visit
      হায় কপাল কে শুনে কার কথা। উলাটা সালাম খুঁজলে কেমনে হবে।

    • Rahim Chowddhury ভাই,
      আল্লার কি কুদরত ঐ ঘটনার অল্প কয়দিন পর দুই সালাম খোরের একজনরে আমার বাচ্চার স্কুলের সামনে পাইছিলাম 🙂
      আমার দিকে চোরা চোখে তাকাচ্ছিলো, এবং মাঝেমধ্যে দেখা হয়…….চাহুনিটা তার বরাবরের মত একি *** চোরা***

    • Reall Saju ভাই,
      প্রফেশন এর বাইরে নার্স দেরো তো একটা পরিবার আছে, মোবাইল এক্কেবারে বন্ধ করাটা কোন সলিউশন না, অপ্রয়োজন এ তারা যাতে করে মোবাইল ব্যবহার করতে না পারে কর্তৃপক্ষকে সে দিকে সদা সজাগ থাকতে হবে……

    • আরেফিন ভাই কিছুদিন আগে আমার চোখে দেখা নার্সের অবহেলায় একটা ছোট শিশু মারা গেছে।সেটা হল ৬ তলা ৩২ নাম্বার ওয়াট।অনেক শিশু মারা যাইতেছে শুধু নার্সের অবহেলায়।আমার ভাতিজি ১৫দিন বয়স ওই ওয়াডে ছিল।নার্সের এই অবস্থা দেখে বন সাইন দিয়ে আমার ভাতিজিকে নামিয়ে নিই।ভাই এদের জন্য কোন ব্যাবস্থা করা যাই কিনা দেখেন সবার ভালো হবে।

    • ভাই,
      আমাদের মত নগন্যদের দৌড় এই সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্তই, যদি নীতিনির্ধানী পর্যায়ের কারো চোখে আমাদে আকূতি গুলো ধরা পড়ে তাতেই হয়ত কোন ভালো রেজাল্ট পেতে পারি ;(

  6. ডাক্তার, পুলিশ ও উকিল- কোর্ট ( মাঝখানে রইল বাংলার প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চা) এই ত্রি-নরপিশাচের নিকট হতে যে ব্যাক্তি বা ফ্যামিলি নিরাপদ দূরত্ব বঝায় রাখবে, তাঁদের ইহজীবন নি:সন্দেহে স্বর্গতুল্য হবে ।
    বঙ্গবন্ধুর নির্বাচনী পোস্টারে সুবিখ্যাত লাইনটুকু বেশ মনে পড়ে, ” সোনার বাংলা শশ্মান কেনো ? “

  7. রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান অবরোদ থাকা আমরা সমগ্র চট্রগ্রাম বাসী অবরুধ থাকা।মাননীয় সাস্হ্য মন্তী মহোদয় আপনি আসুন দেখুন আমাদের মত একটা সাধারন রুগী পাটান আপনি দেখবেন এদের সাতে কি ভাষা ব্যবহার হয়।ডাঃ! নাছ! আয়া থেকে জারুদার পযন্ত এদের ব্যবহার শুনুন। এদের কাছে আমরা চট্রগ্রামবাসী জির্মি।

  8. রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান অবরোদ থাকা আমরা সমগ্র চট্রগ্রাম বাসী অবরুধ থাকা।মাননীয় সাস্হ্য মন্তী মহোদয় আপনি আসুন দেখুন আমাদের মত একটা সাধারন রুগী পাটান আপনি দেখবেন এদের সাতে কি ভাষা ব্যবহার হয়।ডাঃ! নাছ! আয়া থেকে জারুদার পযন্ত এদের ব্যবহার শুনুন। এদের কাছে আমরা চট্রগ্রামবাসী জির্মি।

  9. পাগলের বংশগণ….বিষয় ছিল একজন জনপ্রতিনিধি ক্ষমতার দাপটে মেয়ের বয়সী নারী চিকিৎসকের গায়ে হাত দিয়ে লাঞ্চিত করেছে…আর তোমরা সেই নিরাপরাধ মেয়েটির পিছে লাগছ… আল্লাহ পাক তোমাদের ১৩শ গ্রাম সাইজের ব্রেইনে একবিন্দুও বিবেক দিছে কিনা সন্দেহ. ডাক্তার রা যদি তোমাদিগের চোখে এতই খারাপ হয়, যাও কেন তাদের কাছে?? যাইও না আর…অসুখ হইলে ঘরে বসেই আল্লাহ আল্লাহ কইরো…পানি পড়া খাইও…
    ডাক্তার রা কি তোমাদিগকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যায় হাসপাতালে, নিজে গায়ে পড়ে হাসপাতালে গিয়ে কোন অধিকারে ডাক্তারের গায়ে হাত দিয়ে অভদ্রতা কর…কোন আক্কেল জ্ঞানে ডাক্তারের ডিউটি নিয়ে প্রশ্ন তুলো যেখানে সে তোমাদিগকে ঠিকই সুস্থ করছে…??
    অভদ্র জাতির জন্য আসলেই সব ক্ষেত্রই অভদ্র…সে কোন ক্ষেত্রেই শিষ্টাচার মেনে চলতে পারেনা জাতিগত কারণে

    • Lol….ব্যবহারে মা বাপের পরিচয় …. বাপ যদি ঘরে সবসময় মা কে এসব গালি দেয়, বাচ্চারা সেগুলো শিখে এবং মানুষের উপর অপপ্রয়োগ করে….
      ব্যাপার না… খোদা ২ জাতের মানুষই পয়দা করেছেন… এক শ্রেণী যারা বংশগত বিশ্রী গালিবাজ…আরেক শ্রেণী যারা গাল বাজদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করে.
      আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুক

    • হাকিকতে আসেন…আল্লাহ সবই করেন…তবে প্রতিটি জিনিস আল্লাহ ডাইরেক্ট হাতে দেই না…উসিলা মাধ্যমে দেই…আপনি হইতে মা বাপ উসিলা লাগছে…সুস্থ থাকতে ডাঃ উসিলা হয়..মক্কায় যেতে প্লেনের পাইলট উসিলা হয়, আপনার বেতন আসতে মালিক বা প্রতিষ্ঠান উসিলা হয়….
      Think about উসিলা…And dont mess with উসিলা

    • ভাই ডাক্তার সাহেব আপনারা সরকারি ডাক্তার বলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাধারন মানুষের সাথে যে ব্যবহার করেন তা উচিত নই ভাই।ডাক্তার হলেন ভগবানের আর এক রূপ। কিন্তু ভাইয়া মেডিকেলে গিয়ে কেন সাধারন জনগণ লানচিত হয়।মেডিকেলে কার্যরত সকল নার্সের ব্যবহারতো ব্যায়াদপের অবশেষ।ওদের কার্যকলাপে ওদের এমনি মারতে ইচ্ছা হয়।

    • চেইন অব কমান্ড বুঝেন…?
      নার্স, আয়া, বয় এরা কেউই ডাক্তারদের চাকর নই…আপনার সরকারই এদের নিয়োগ দেই, বেতন দেই, পরিচালনা করে. ডাক্তার রা কেউ ৬ মাস ট্রেনিং করে, কেউ ১ বছর…তারপর অন্যত্র চলে যায়…তবে নার্স মাসি রা থেকে যায়…
      যারা ওদের নিয়োগ দিয়েছে, যারা ওদের বরখাস্ত করতে পারে…তাদের গিয়ে অভিযোগ করুন…৫০০ বেডের সরকারি হাসপাতালে ৫ হাজার রুগী কেন আপনার সরকারকে জিজ্ঞেস করুন. কেন আপনার চিকিৎসার জন্য সরকার দৈনিক শুধু ২ টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার কে জিজ্ঞেস করুন… কেন হাসপাতালের বেতন ভাতা ঠিক নেই, কেন অনারারী চিকিৎসক রা এক টাকাও বেতন পায় না আপনার সরকার কে জিজ্ঞেস করুন…
      জেনে মন্তব্য করুন…পুরোপুরি না জেনে মন্তব্য করা পাগলের প্রলাপ মাত্র

    • ভাই বেতন ভাতা ঠিক নাই বলে কি সাধারন মানুষের কাছ থেকে গলা টিপে টাকা আদায় করবে নাকি।একবার সাধারন মানুষের ভেসে মেডিকেলের পরিস্থিতি পর্যবেক্কন করুন তারপর বুঝবেন সাধারন মানুষ কি কষ্ট পাই।

    • আমি তো বললামই … মেডিকেল গুলো আপনার সরকার চালাই…তারে বিচার দিন…ডাঃ রা মেডিকেলের রুগী থেকে এক টাকাও পাইনা…এক টাকাও খাইনা…যে খাচ্ছে তারে বলুন…
      ডাঃ রা পয়সা কামাই ব্যক্তিগত চেম্বারে…আমার চেম্বার আমার ব্যবসা …ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ বা মাথা ঘামানোর অধিকার কারও নেই…আমাকে পছন্দ না হলে আমার কাছে না আসুক…আমি কাউকে জোর করছি না…বাট ব্যক্তিগত ইনকাম পলিসি যার যার টা তার তার

    • এটা কোন ডাক্তারের কথা হতে পারে না। হাস পাতাল জনগনের প্রতিষ্ঠা ন ডাক্তারের নয়। ডাক্তার জনগনের চাকর। জনগনকে সহ্য না হলে হাসপাতালে চাকুরী নেন কেন? প্রাইভেট প্রাক্টিস করবেন।মনে রাখবেন জনগনের টাকায় ডাক্তার হয়েছেন।

  10. অনেক মানবতাবাদী ডাক্তার রয়েছেন বাংলাদেশে যারা বিনা পয়সায় রোগির সেবা দেন।কিন্তু বেশির ভাগ ডাক্তার রা মানবতাহীন সম্পন্ন। তাদের কাছে টাকাটাই প্রাধান্য দেওয়া হয়।উপরে একজন ডাক্তারের কমেন্ট দেখলাম, আমার মনে হয় এ ধরনের ডাক্তারের জন্যই গোটা ডাক্তারদের দুর্নাম হয়।একজন সাধারণ মানুষ আর ডাক্তারের মানবতা সমান হতে পারেনা।একটা স্টুডেন্ট যখন এইস,এস,সি পাস করে তখন বলে আমি ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।কিন্তু সময়ে পরিবর্তন হয়ে যায়।

  11. বাংলাদেশে মাতৃৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হার অনেক কমেছে , মানুষের গড় আয়ু বেড়ে ৭১ হয়েছে , সরকার আন্তর্জাতিক পুরুস্কার পাচ্ছে ৷ চিকিৎসা মানে বাংলাদেশ ৮৫নম্বরে আর ভারত ১১২ নম্বরে ৷ এগুলো তো চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মিদের অবদান ৷

  12. বর্তমানে এটা ওদের স্বভাবে পরিনত হয়েছে….নিজেরা দোষ করবে আবার ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে উল্টো ভুক্তভোগিকে ফাঁসিয়ে দেবে।যাতে করে তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আর কেউ প্রতিবাদ করার সাহস না পায়।দেশের গোটা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের রামরাজত্ব চলছে।রোগী ও তাদের স্বজনেরা এদের থেকে সব সময় সাবধান থাকবেন।কেননা এরা যে কোন সময় আপনাকে এভাবে ফাঁসিয়ে দিতে পারেন।

  13. বাবুল সাহেব বুল করছে এ সব ডাঃ ডাকাত দের সাথে কেউ পেরে ওঠে না এমন কি সরকার ও না।এই ডাকাত ডাঃ পক্ষে নিয়ে জারা কথা বলে তারা না বুজে বলে।ওদের কাছে বাবুল কেন সভাই অসহায়।

  14. বাবুল ভাই ভাল মানুষ।
    ডাক্তাররা বাবুল ভাইয়ের থেকে দানদাবাজি করতেছেয়ে ছিল। আর হাসপাতালের ডাক্তাররা এমনে আওয়ামীলীগ করে কিনতু জামাত শিবিরের দালাল।

  15. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালতো ডাক্তারদের বাপের সম্পদতি হই গেছে।ওখানে কর্মরত যারা আছে তারা আরও বড় ডাকাত।ওখানে গেলে সাধারন জনগন যে লান্চিত ওটা যারা গেছে ওরা জানে।সরকারকে অনুরোদ জানাব আপনারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত সকল ডাক্তার নার্স ও কর্মরত সকল দারোনদের হাত থেকে সাধারন জনগণকে লান্চিত ও টাকা খাওয়ার হাত থেকে বাচাঁন।এদেরকে প্রস্রয় দিয়েননা এই অনুরোধ রইল জনগণের সরকারের কাছে।

  16. বাংলাদেশে পুলিশ, প্রশাসনের কর্তা, বিচারক, ভূমি অফিসের কর্তারা, এমপি-মন্ত্রী বা চেয়ারম্যান-মেম্বার বা অন্যান্য অফিসের কর্তা-ব্যাক্তিরা ঘুস-দূর্নীতি, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা মেরে দেয়া, মানুষকে শালা -শালি ,ঝাঁটা-লাথি মারা বা যত রকমের খারাপ কাজ করুক না কেন কোন অসুবিধা নেই…কোন অফিসে ঘুস ছাড়া কেউ একটা কাজও কখনই করতে পারে না ,এমনকি অফিসের দরজা পর্যন্ত ও পৌঁছাতে পারে না—-তাতে কোন অসুবিধা নেই…..অসুবিধা শুধু ডাক্তারদের বেলায়…..ডাক্তাররাই এখানে একমাত্র খলনায়ক আর সবাই সিনেমার হিরো অথচ বাংলাদেশে হাসপাতালই একটি মাত্র জায়গা যেখানে টাকা ছাড়াও কোন না কোন সেবা পাওয়া যায় এবং সহজেই ডাক্তারদের কাছে পৌছানো যায়—-এজন্যই ডাক্তাররা খারাপ……মানুষের সেবা করার ইজারা একমাত্র ডাক্তাররাই নিয়েছে…..আর সবাই ঘুসখোর-রক্ত চোষক অথচ তারাই উপাস্য—–আসলে বাংলাদেশের মানুষ সারাজীবন বংশ পরম্পরায় লাথি-ঝাঁটা, ঠকবাজী, বেঈমানী-নিমকহারামী দেখতে দেখতে এবং সহ্য করতে করতে ঐ ধরনের চরিত্রের লোক বা পেশাজীবিদেরকে স্বাভাবিক ও হিরো হিসাবে ধরে নিয়েছে…… আর যারা সত্যিকার অর্থে কিছু করছে সততার সাথে যেমন ডাক্তাররা তারাই ভিলেন হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে…. এটা সমাজের জন্য অশনিসংকেত.. ..নিমকহারামরা বুঝবে তখন যখন সব শেষ হয়ে যাবে…….আসলে এদেশে “যেমন কুকুর তেমন মুগুর” এমনই দরকার —–ডাক্তাররা সেটা করছে না তো সেজন্য তারা খারাপ..য়য় আর ঐ চেয়ারম্যান ভোট চুরি করে ভন্ড জনপ্রতিনিধি সেজে এখন হিরো—–সেলুকাস বাংলাদেশ

  17. নিজ স্ত্রীর সামনে নার্সকে শারিরীক নির্যাতন করে একজন চেয়ারম্যান।বাহ!! খুবই বিশ্বাসযোগ্য বটে।মুচলেকা নেওয়ার সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কি ডিউটি ডাক্তারের মতো খুজে পাওয়া যাচ্ছিলো না।দুপুর ৩টায় চিকিৎসা সেবা পায় নাই উনার আত্মীয়।উনি জানার পর ইফতারের আগে সস্ত্রীক আসে এবং ইফতার পার্টিতে চলে যায়।এরপর আবার যখন আসে তখনও পর্যন্ত চিকিৎসা পাই নাই।রেগে চিল্লাচিল্লি করে এবং চমেকের প্রধানকে ফোন করে,এতেই ক্ষীপ্ত হয়ে উঠে সাদা এপ্রণের আড়ালে নেতার লেজুড়বৃত্তি কারিরা।রাউজানের মুরগীকে রাঙ্গুনিয়ার শিয়ালে পায়ছে।স্বার্থসংশ্লিষ্ট রেষারেষির ঝাল মিঠায়ছে গাল গপ্পো বানিয়ে।সবই সত্যি মানিলাম,বুঝিলাম।কয়েকদিন পর মহাসত্য ঘটনাকে সাময়িক ভুল বুঝাবুঝি বলিয়া মেয়রের সিজেকেএস অফিসে কিসের মিলমিশ হয়লো,তখন কাগজে কি লেখা হয়লো!!!
    বাবুল লম্পট ভাষ্যমতে।মেয়র সাহেবের ঘরের অন্দরমহল পর্যন্ত যাতায়াত আছে!এবং মেয়রের আত্মীয়!!আমরা যারা কমবেশ চেয়ারম্যান ঘি বাবুলকে চিনি।তারা সবাই বলবে সহজ-সরল,খোলা মনের মানুষ।উনার দোষ হলো একটু বাটার/ঘি দিয়ে কথা বলে।রাউজানের জনপ্রতিনিধি কিন্তু আশ্চর্য হলো তার নামে কোন কালে ভূমিদস্যু,চাদাবাজি,রাহাজানি,মামলাবাজ কিংবা দলীয় কোন্দল ইত্যাদি কোন কিছুর অপবাধ নেই।বাংলাদেশের শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান খেতাব পেয়েছেন এলাকার মানুষের সাথে তার সদ্ভাব এবং সজ্জনশীলতার কারণে।

একটি মন্তব্য দিন