চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এসব কি করছে!

115
.

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক মেরামত করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশের ঠিকারদাররা। রাস্তা মেরামতের নামে মাত্র কাজ সারছে এসব ঠিকাদার। আর উত্তোলন করে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বৃষ্টির পানিতে চলছে রাস্তা মেরামতের কাজ! পানিতেই ঢালছে বিটুমিন। এটি কতটুকু কার্যকর হবে তা সাধারণ নগরবাসীর প্রশ্ন। এসব ঠিকারদাররা রাস্তা মেরামতের নামে আসলে কি করছে সিটি কর্পোরেশনের কি কোন তদারকির প্রয়োজন নেই?

.

আজ শুক্রবার বিকালে নগরীর দেওয়ানহাট থেকে আগ্রাবাদ সড়কের এমনই একটি উন্নয়নের চিত্র ক্যামেরাবন্দি করেছেন চট্টগ্রামে কর্মরত একটি বেসরকারী টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন সেলিম উল্লাহ। তিনি তার ফেসকুকে ছবি গুলো দিয়ে একটি ষ্ট্যার্টাস দিয়েছেন। আমরা তার সে বক্তব্য তুলে ধরছি।

.

তিনি লিখেছেন-

.

“চট্টগ্রাম সিটি এলাকায় বিভিন্ন সড়ক সংস্কারে কাজ করছে চসিক। সেই জন্য ধন্যবাদ মেয়র সাহেবকে। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন, পানি জমে থাকা অবস্থায় বিটুমিন দিয়ে কাজ করা কি যৌক্তিক? তাতে কী সুফল মিলবে! অর্থের অপচয় হচ্ছে কি? এ কাজ লোক দেখানো কি না! ছবিগুলো আজ শুক্রবার বিকাল তিনটায় নগরীর দেওয়ানহাট মোড় থেকে তোলা”।

115 মন্তব্য

  1. সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কমিশনারের এ ব্যাপারটা দেখা উচিৎ ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চসিক মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

  2. পানির সংস্পর্শ পেলে বিটুমিনে কোনক্রমে ই bonding হবেনা। এটা সাধারণ রাজমিস্ত্রি ও জানে,ইঞ্জিনিয়ার সাহেবগন আরো ভাল জানেন। তারপর ও কাজ হচ্ছে। অবশ্য জুন ফাইনাল বলে কথা।

    • বিভ্রান্ত হওয়া থেকে দূরে থাকুন,
      আগে সত্যতা জানুন…

      চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নির্দেশক্রমে দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে চসিকের প্রকৌশল বিভাগ নগরীর ক্ষতিগ্রস্থ রা্স্তা ও সড়ক নিয়মিত সংস্কার করে থাকে। এ ধরনের সংস্কার কাজ পুরো বছর জুড়ে পরিচালিত হয়। জনদূর্ভোগ লাঘবের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রকৌশল বিভাগ চলমান বর্ষা মৌসুমেও সড়ক সংস্কার ও প্যাচওয়ার্ক অব্যাহত রেখেছে। মূলত চসিক অপচয় করে না,প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে জনদূর্ভোগ এবং অপচয় কমানোর আপ্রান চেষ্টা করে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবার প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি,বৃষ্টি ও রৌ্দ্র বিবেচনায় রেখে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিটুমিন মিশ্রিত মিক্সারগুলো তৈরি করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে ব্যাটস ফিলিংয়ের মাধ্যমে মেরামত কাজ করা হয় এবং আবহাওয়া ভাল থাকলে বিটুমিন মিশ্রিত পাথর কুচি বা মিক্সার দ্বারা সড়ক সংস্কারের কাজ পরিচালিত হয়। গত ৩০জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবারেও রৌদ্র থাকার কারনে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট চালু করে মিক্সার তৈরি করে প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে প্যাচওয়া্র্ক কাজ শুরু করা হয়েছিল। ২নং ডিভিনে শেখ মুজিব সড়কে দুই ট্রাক মিক্সারের মাধ্যমে প্যাচওয়া্র্ক কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে আসার পর হঠাৎ বৃ্ষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে এক হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সার ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় উক্ত মিক্সার গুলো প্যাচওয়ার্কে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই মিক্সার গুলো একেবারে ফেলে না দিয়ে কয়েকটি গর্ত ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য যে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট থেকে মিক্সারগুলো ১৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তৈরি করা হয়। তারপর মিক্সারগুলো ট্রাকে করে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারনত মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত বজায় থাকলে তা ব্যবহার উপযোগী থাকে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রী ২নং ডিভিশনে প্যাচওয়ার্ক কাজের একেবারে শেষ পর্যায়ে হঠাৎ বৃষ্টি চলে আসলে ১ হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড কমে যায়। ফলে তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই উক্ত ১ হুইলব্যারো মিক্সার একেবারে ফেলে না দিয়ে গর্তে ঢেলে দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হওয়ার জন্যই এই লেখাটি লিখলাম।যে সকল সন্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্বচিত্র প্রতিবেদন বা রির্পোট করেছেন তাঁদের উচিত ছিল রির্পোট বা প্রতিবেদনটি লেখার পূর্বে চসিক এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে কথা বলা।আর ফেসবুকে যারা এই বিষয়টা নিয়ে নোংড়া রাজনীতি করছেন মাননীয় মেয়র ও চসিক এর বিরুদ্ধে বিষদগার করছেন সেটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। আপনাদের অন্তর জ্বালাটি কোথায় সেটা আমরাসহ চট্টগ্রামবাসী ভালই যানেন।

      Raihan Yousuf ভাইয়ের ওয়াল থেকে
      সংগৃহিত

  3. সতবাগা জনগন কেনযে এসব দেখতে এবং লেখতে যায়।
    কিছুকন পর হয়তবা দেখবেন জিযেমবি বলে ওয়ারেট বের হয়ে গেছে।
    সুতরাং সাবধান থাকুন, নিরবে থাকুন, মুখ ও চোখ বুঝে থাকুন

    • বিভ্রান্ত হওয়া থেকে দূরে থাকুন,
      আগে সত্যতা জানুন…

      চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নির্দেশক্রমে দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে চসিকের প্রকৌশল বিভাগ নগরীর ক্ষতিগ্রস্থ রা্স্তা ও সড়ক নিয়মিত সংস্কার করে থাকে। এ ধরনের সংস্কার কাজ পুরো বছর জুড়ে পরিচালিত হয়। জনদূর্ভোগ লাঘবের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রকৌশল বিভাগ চলমান বর্ষা মৌসুমেও সড়ক সংস্কার ও প্যাচওয়ার্ক অব্যাহত রেখেছে। মূলত চসিক অপচয় করে না,প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে জনদূর্ভোগ এবং অপচয় কমানোর আপ্রান চেষ্টা করে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবার প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি,বৃষ্টি ও রৌ্দ্র বিবেচনায় রেখে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিটুমিন মিশ্রিত মিক্সারগুলো তৈরি করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে ব্যাটস ফিলিংয়ের মাধ্যমে মেরামত কাজ করা হয় এবং আবহাওয়া ভাল থাকলে বিটুমিন মিশ্রিত পাথর কুচি বা মিক্সার দ্বারা সড়ক সংস্কারের কাজ পরিচালিত হয়। গত ৩০জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবারেও রৌদ্র থাকার কারনে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট চালু করে মিক্সার তৈরি করে প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে প্যাচওয়া্র্ক কাজ শুরু করা হয়েছিল। ২নং ডিভিনে শেখ মুজিব সড়কে দুই ট্রাক মিক্সারের মাধ্যমে প্যাচওয়া্র্ক কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে আসার পর হঠাৎ বৃ্ষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে এক হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সার ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় উক্ত মিক্সার গুলো প্যাচওয়ার্কে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই মিক্সার গুলো একেবারে ফেলে না দিয়ে কয়েকটি গর্ত ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য যে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট থেকে মিক্সারগুলো ১৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তৈরি করা হয়। তারপর মিক্সারগুলো ট্রাকে করে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারনত মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত বজায় থাকলে তা ব্যবহার উপযোগী থাকে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রী ২নং ডিভিশনে প্যাচওয়ার্ক কাজের একেবারে শেষ পর্যায়ে হঠাৎ বৃষ্টি চলে আসলে ১ হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড কমে যায়। ফলে তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই উক্ত ১ হুইলব্যারো মিক্সার একেবারে ফেলে না দিয়ে গর্তে ঢেলে দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হওয়ার জন্যই এই লেখাটি লিখলাম।যে সকল সন্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্বচিত্র প্রতিবেদন বা রির্পোট করেছেন তাঁদের উচিত ছিল রির্পোট বা প্রতিবেদনটি লেখার পূর্বে চসিক এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে কথা বলা।আর ফেসবুকে যারা এই বিষয়টা নিয়ে নোংড়া রাজনীতি করছেন মাননীয় মেয়র ও চসিক এর বিরুদ্ধে বিষদগার করছেন সেটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। আপনাদের অন্তর জ্বালাটি কোথায় সেটা আমরাসহ চট্টগ্রামবাসী ভালই যানেন।

      Raihan Yousuf ভাইয়ের ওয়াল থেকে
      সংগৃহিত

  4. কাজের ধরন দেখে বুঝেন না পাবলিকের ট্যাক্স এর টাকা মাইরা খাওয়ার পায়তারা করতেছে।ভোট ডাকাতি করে যে মেয়র হয়েছে তারতো জনগনের কাছে কোন জবাবদিহিতা নাই।

    • বিভ্রান্ত হওয়া থেকে দূরে থাকুন,
      আগে সত্যতা জানুন…

      চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নির্দেশক্রমে দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে চসিকের প্রকৌশল বিভাগ নগরীর ক্ষতিগ্রস্থ রা্স্তা ও সড়ক নিয়মিত সংস্কার করে থাকে। এ ধরনের সংস্কার কাজ পুরো বছর জুড়ে পরিচালিত হয়। জনদূর্ভোগ লাঘবের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রকৌশল বিভাগ চলমান বর্ষা মৌসুমেও সড়ক সংস্কার ও প্যাচওয়ার্ক অব্যাহত রেখেছে। মূলত চসিক অপচয় করে না,প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে জনদূর্ভোগ এবং অপচয় কমানোর আপ্রান চেষ্টা করে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবার প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি,বৃষ্টি ও রৌ্দ্র বিবেচনায় রেখে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিটুমিন মিশ্রিত মিক্সারগুলো তৈরি করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে ব্যাটস ফিলিংয়ের মাধ্যমে মেরামত কাজ করা হয় এবং আবহাওয়া ভাল থাকলে বিটুমিন মিশ্রিত পাথর কুচি বা মিক্সার দ্বারা সড়ক সংস্কারের কাজ পরিচালিত হয়। গত ৩০জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবারেও রৌদ্র থাকার কারনে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট চালু করে মিক্সার তৈরি করে প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে প্যাচওয়া্র্ক কাজ শুরু করা হয়েছিল। ২নং ডিভিনে শেখ মুজিব সড়কে দুই ট্রাক মিক্সারের মাধ্যমে প্যাচওয়া্র্ক কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে আসার পর হঠাৎ বৃ্ষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে এক হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সার ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় উক্ত মিক্সার গুলো প্যাচওয়ার্কে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই মিক্সার গুলো একেবারে ফেলে না দিয়ে কয়েকটি গর্ত ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য যে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট থেকে মিক্সারগুলো ১৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তৈরি করা হয়। তারপর মিক্সারগুলো ট্রাকে করে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারনত মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত বজায় থাকলে তা ব্যবহার উপযোগী থাকে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রী ২নং ডিভিশনে প্যাচওয়ার্ক কাজের একেবারে শেষ পর্যায়ে হঠাৎ বৃষ্টি চলে আসলে ১ হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড কমে যায়। ফলে তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই উক্ত ১ হুইলব্যারো মিক্সার একেবারে ফেলে না দিয়ে গর্তে ঢেলে দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হওয়ার জন্যই এই লেখাটি লিখলাম।যে সকল সন্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্বচিত্র প্রতিবেদন বা রির্পোট করেছেন তাঁদের উচিত ছিল রির্পোট বা প্রতিবেদনটি লেখার পূর্বে চসিক এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে কথা বলা।আর ফেসবুকে যারা এই বিষয়টা নিয়ে নোংড়া রাজনীতি করছেন মাননীয় মেয়র ও চসিক এর বিরুদ্ধে বিষদগার করছেন সেটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। আপনাদের অন্তর জ্বালাটি কোথায় সেটা আমরাসহ চট্টগ্রামবাসী ভালই যানেন।

      Raihan Yousuf ভাইয়ের ওয়াল থেকে
      সংগৃহিত

  5. আমার মনে হয় না,এই টা কোন ঠিকাদার এর কাজ’আপনি যে স্টাট্যাস টা দিয়েছেন সেই টা ডালাও ভাবে ঠিকাদারদের দোষারূপ না করে জানা দরকার ছিল কোন ঠিকাদার এবং কোন প্রতিষ্ঠানের
    এর কাজ” আমি কাজের ছবি দেখে ১০০% বলতে পারি চ,সি,ক এর নিজস্ব মালামাল এবং উনাদের শ্রমিকদিয়ে
    কাজ টা করছে যার প্রমান এইখানে এক শ্রমিক চ,সি;ক, এর ইউনিফর্ম পরা” আপনার কাছে অনুরোধ ঠিকাদারদের নামে এই ধরনের ভুয়া নিউজ না করে,কোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ নাম উল্লেখ করবেন”তাহলে কর্তৃপক্ষ
    এবং”মেয়র মহোদয়” এর দৃষ্টান্তোমুলক শাস্তি দিতে পারবে”””””””

  6. বিভ্রান্ত হওয়া থেকে দূরে থাকুন,
    আগে সত্যতা জানুন…

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নির্দেশক্রমে দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে চসিকের প্রকৌশল বিভাগ নগরীর ক্ষতিগ্রস্থ রা্স্তা ও সড়ক নিয়মিত সংস্কার করে থাকে। এ ধরনের সংস্কার কাজ পুরো বছর জুড়ে পরিচালিত হয়। জনদূর্ভোগ লাঘবের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রকৌশল বিভাগ চলমান বর্ষা মৌসুমেও সড়ক সংস্কার ও প্যাচওয়ার্ক অব্যাহত রেখেছে। মূলত চসিক অপচয় করে না,প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে জনদূর্ভোগ এবং অপচয় কমানোর আপ্রান চেষ্টা করে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবার প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে নগরীর বিভিন্ন সড়কে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি,বৃষ্টি ও রৌ্দ্র বিবেচনায় রেখে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিটুমিন মিশ্রিত মিক্সারগুলো তৈরি করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে না থাকলে ব্যাটস ফিলিংয়ের মাধ্যমে মেরামত কাজ করা হয় এবং আবহাওয়া ভাল থাকলে বিটুমিন মিশ্রিত পাথর কুচি বা মিক্সার দ্বারা সড়ক সংস্কারের কাজ পরিচালিত হয়। গত ৩০জুন ২০১৭ খ্রি শুক্রবারেও রৌদ্র থাকার কারনে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট চালু করে মিক্সার তৈরি করে প্রকৌশল বিভাগের ৫টি ডিভিশনে প্যাচওয়া্র্ক কাজ শুরু করা হয়েছিল। ২নং ডিভিনে শেখ মুজিব সড়কে দুই ট্রাক মিক্সারের মাধ্যমে প্যাচওয়া্র্ক কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে আসার পর হঠাৎ বৃ্ষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে এক হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সার ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় উক্ত মিক্সার গুলো প্যাচওয়ার্কে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই মিক্সার গুলো একেবারে ফেলে না দিয়ে কয়েকটি গর্ত ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য যে অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট থেকে মিক্সারগুলো ১৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তৈরি করা হয়। তারপর মিক্সারগুলো ট্রাকে করে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারনত মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত বজায় থাকলে তা ব্যবহার উপযোগী থাকে। ৩০ জুন ২০১৭ খ্রী ২নং ডিভিশনে প্যাচওয়ার্ক কাজের একেবারে শেষ পর্যায়ে হঠাৎ বৃষ্টি চলে আসলে ১ হুইলব্যারো সমপরিমান মিক্সারের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড কমে যায়। ফলে তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই উক্ত ১ হুইলব্যারো মিক্সার একেবারে ফেলে না দিয়ে গর্তে ঢেলে দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হওয়ার জন্যই এই লেখাটি লিখলাম।যে সকল সন্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্বচিত্র প্রতিবেদন বা রির্পোট করেছেন তাঁদের উচিত ছিল রির্পোট বা প্রতিবেদনটি লেখার পূর্বে চসিক এর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে কথা বলা।আর ফেসবুকে যারা এই বিষয়টা নিয়ে নোংড়া রাজনীতি করছেন মাননীয় মেয়র ও চসিক এর বিরুদ্ধে বিষদগার করছেন সেটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। আপনাদের অন্তর জ্বালাটি কোথায় সেটা আমরাসহ চট্টগ্রামবাসী ভালই যানেন।

    Raihan Yousuf ভাইয়ের ওয়াল থেকে
    সংগৃহিত

একটি মন্তব্য দিন