পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
চট্টগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রকে গুমের অভিযোগ

0
????????????????????????????????????
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বক্তব্য রাখছেন আব্দুল মোতালের বড় ভাই মশিউর রহমান।

চট্টগ্রামে দুই শিক্ষার্থীকে আটকের পর পুলিশের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তুলেছেন তাদের পরিবার। তবে পুলিশ তাদের আটকের বিষয়টি অস্বিকার করছে।

গুম হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলো- হাটহাজারী উপজেলার মাওলানা শামসুল উলুম ফাযিল মাদ্রাসার (নাঙ্গলমোড়া) ছাত্র আব্দুল মোতালেব (২২) ও তার বন্ধু বেড়াতে আসা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র আব্দুল হান্নান (২৩)।

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সোমবার বিকেলের দিকে নগরীর বায়েজিদ থানার অক্সিজেনের টেনারী বটতল এলাকা থেকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার এসআই লিটনের নেতৃত্বে পুলিশ শিবির কর্মী সন্দেহে মোতালিব ও হান্নানকে আটক করা করে। মোতালিব নীলফামারি জেলার ভকদাবাড়ি ইউনিয়নের লুৎফর রহমানের ছেলে ।

এনিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ মোতালিবের বড় ভাই মশিউর রহমান জানান, পুলিশ আটকের পর আমার ভাই গুম হয়ে গেছে। পুলিশ আমার ছোটভাই ও তার বন্ধুকে গুম করেছে।

লিখিত বক্তব্যে মশিউর রহমান বলেন, আমার ছোট ভাই চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মাওলানা শামসুল উলুম ফাযিল মাদ্রাসার (নাঙ্গলমোড়া) ছাত্র। সে একটি বাসায় ভাড়া থাকে। গত ১১জুলাই নগরীর অক্সিজেন টেনারী বটতল এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি মোতালিব বায়েজিদ থানায় আটক রয়েছে। আমরা বায়েজিদ থানায় যোগাযোগ করলে তাকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করছে পুলিশ। অথচ আটকের দিন রাতেই তার বাসায় তাকে নিয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। তিনি আরো বলেন, আমার ভাইকে আটকের পর পুলিশ অস্বীকার করায় আমরা আতংকের মধ্যে আছি। আমার ভাইয়ের জন্য কান্নাকাটি করছে আমার বৃদ্ধ মা বাবা। আমার ভাইকে আমরা ফেরত চাই। সে কোন অপরাধ করে থাকলে তাকে আদালতে তোলার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান তিনি।

আব্দুল হান্নানের বাবা মোহাম্মদ ইনতেজারুল জানিয়েছে, হান্নান ঈদ উপলক্ষে চট্টগ্রামে বন্ধুর কাছে ঘুরতে গিয়েছিল তাকে রিসিভ করতেই আব্দুল মোতালেব (সোমবার) অক্সিজেন মোড়ে যায়। এসময় ওইখান থেকে দুইজনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। আব্দুল মোতালেবের চাচা আবদুল হালিম বলেন, ‘মোতালেব শিবির করত কি না জানিনা। তবে সে বিকেলে অক্সিজেনে তার বন্ধুকে রিসিভ করতে যায়। পরে শুনি সে সহ তার বন্ধুকে পুলিশ শিবির সন্দেহে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তবে এবিষয়ে জানতে চাইলে বায়েজদি থানার ওসি মো: মহসিন জানান, আবদুল মোত্তালিব এবং হান্নান নামে কাউকে আটক করিনি আমরা। এসআই লিটনের নেতৃত্বে পুলিশ আটক করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন যেই আটক করুক ওসি হিসেবে প্রথমে আমি জানবো। কিন্তু আমরা আটক করিনি।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন