বোয়ালখালীতে এসি ল্যান্ড এর বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ

0
.

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

জেলার বোয়ালখালী উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) (এসি ল্যান্ড) ফোরকান এলাহী অনুপমের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন ব্লু বার্ডস স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো.শাহীনুর কিবরিয়া মাসুদ।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিভাগীয় ব্যবস্থা চেয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়ালখালীর মাধ্যমে লিখিত এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ৮টায় উপজেলা সদরের ব্লু বার্ডস প্রি-ক্যাডেট স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা বাসে উঠাছিলো। এসময় উপজেলা ভূমি অফিসের পিয়ন গাড়ির দায়িত্বরত ব্যক্তিকে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. ফোরকান এলাহী অনুপম কার্যালয়ে ডেকেছেন বলে জানান। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মো. শাহীনুর কিবরিয়া মাসুদ সহকারি কমিশনারের কার্যালয়ে প্রবেশ করলে ফোরকান এলাহী অনুপম চিৎকার করে অশালীন আচরণ করতে থাকেন। এছাড়া দুই মিনিটের মধ্যে এলাকার ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি জব্দ করার হুমকি প্রদান করেন। ফোরকান এলাহী অনুপমের আকষ্মিক এই আচরণে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্কুলের পরিচালকগণ হতভম্ব হয়ে পড়েন।

শাহীনুর কিবরিয়া মাসুদ বলেন, ‘সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন কর্মকর্তার রুঢ় আচরণে মানসিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছি। উপস্থিত সকলের সামনে আমার সম্মানহানি ঘটেছে। এছাড়া প্রশাসনের প্রথম শ্রেণির একজন কর্মকর্তার এ ধরণের আচরণ সরকারের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তাই এর সুষ্ঠু বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।’

স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার সকাল ৮টায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যাবার লক্ষে দুইটি বাস স্কুলের সামনের সড়কের একপাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের তুলছিল। এ সময় রাস্তায় যানজটও ছিলো না।

বোয়ালখালী কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সেকান্দর আলম বাবর পাঠক ডট নিউজকে জানান, শিক্ষা সফর হলো সহ শিক্ষার একটি অংশ। শিক্ষা সফরে যেতে হলে বাস ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক আয়োজন করতেই হয়। নির্ধারিত গাড়ি পাকিংয়ের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব প্রশাসনের। তার এ ধরণের আচরণ কাম্য নয়। এ ঘটনায় এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. ফোরকান এলাহী অনুপম। তবে লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছেন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, বিষয়টি দেখা হচ্ছে। এছাড়া অভিযোগটি করা হয়েছে বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় বরাবরে। তা যথাযথভাবে পাঠানো হবে।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন