কাঠমুণ্ডতে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা বিমানের যাত্রীদের তালিকা

0
.

নেপালের কাঠমাণ্ডুতে ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা বিমানটির ৬৭ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ৩২ জন, নেপালের ৩৩ জন এবং চায়না ও মালদ্বীপের একজন করে যাত্রী ছিল বলে এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে।

ওই বিমানের বাংলাদেশি যাত্রীরা হলেন-ফয়সাল আহমেদ, শিরিন আহমেদ, ইয়াকুব আলী, আলীফুজ্জামান, আলমুন নাহার অ্যানি, বিলকিস আরা, বেগম হারুন নাহার বিলকিস বানু, আক্তারা বেগম, মো. শাহীন বেপারী, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, মো. রেজওয়ানুল হক, মো. রাকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, ইমরান কবীর হাসি, মো. কবির হোসাইন, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, আখি মনি, মেহনাজ বিন নাসির, এফএইচ প্রিয়ক, মো. মতিউর রহমান, এসএম মাহমুদুর রহমান, তাহেরা তানভিন শষী রেজা, পিয়াস রয়, শেখ রাশেদ রুবায়েদ, উম্মে সালমা, মো. নুরুজ্জামান, মো. রফিকুজ্জামান, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, সিএইচডি তমারা প্রিয়নময় ও সিএইচডি অনুরুদ্ধ জামান।

তাদের মধ্যে ফয়সাল বৈশাখী টিভির স্টাফ রিপোর্টার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেলিভিশনটির হেড অব নিউজ অশোক চৌধুরী।

নেপালের ৩৩ নাগরিকের মধ্যে সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন।

নেপালী শিক্ষার্থীরা হলেন- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি।

রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৯তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থীরা ফাইনাল প্রুফ দিয়ে ছুটিতে নিজ দেশে বেড়াতে যাচ্ছিলেন।

নেপালের অন্য নাগরিকরা হলেন-সিলা বাজগেইন, সবিন্দ্রা সিং বহরা, গিয়ানি কুমারী গুরুং, শ্রেয়াঝা, প্রসন্ন পান্ডে, কৃষ্ণা কুমার, দয়ারাম তামরাকা, বল কৃষ্ণা থাপা, আবাদেশ কুমার যাদব, প্রবীন চিত্রকর, সাজনা দেভকোটা, দিনেশ হুমাগেইন, কেশভ পান্ডে, বিনদ রাজ, হরি শংকর, আশীষ রনজিত, সনম শিখিয়া, হরি প্রসাদ সুবেদি, কিশোর ত্রিপাথি এবং বসন্ত বহরা।

মালদ্বীপের নাগরিক হলেন রিজানা আব্দুল্লাহ। অন্যদিকে চীনের নাগরিক জাং মিং ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন। বিমানটিতে থাকা চারজন ক্রু কোন দেশের সে বিষয়ে জানা যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন