নগরীর রহমতগঞ্জে বাড়ী দখলে নিয়ে ছাত্র-যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলা

2
.

চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানার রহমতগঞ্জ এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে হামলা চালিয়ে অস্ত্র উচিয়ে একটি জায়গা দখল করে নিয়েছে ছাত্রলীগ যুবলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা।  রবিবার বিকালে হাজার হাজার মানুষ ও পুলিশের উপস্থিতিতে শতাধিক সন্ত্রাসীরা।দখলকৃত জায়গা থেকে বৈধভাবে বসবাসকারী লোকজনকে লাটিপেঠা,হামলা করে টেনে হেঁছড়ে বের করে ও মালামাল লুট করে এক কাপড়ে বের করে দিয়েছে।

সন্ত্রাসীদের ঘন্টাব্যাপী তান্ডবে পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ছুটে গেলে সন্ত্রাসীরা জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নেয় এবং লাঞ্চিত করেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিত থাকলেও তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় নি।

.

জানা গেছে, রহমতগঞ্জ সাত্তার মঞ্জিলের বিপরীতে ৩০ শতাংশ আয়তনের জায়গাটির কিছু অংশ টিনের ঘেরা দেওয়া। এটির পূর্ব-দক্ষিণ পাশে রয়েছে দুই-তিনটি সেমিপাকা টিনশেড ঘর। এসব ঘরে ১০-১২টি ভাড়টিয়া পরিবারের বসবাস। এ জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।রবিবার দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ প্রকাশ্যে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জায়গা বসবাসকারীদের উপর হামলা চালায়। ঘর থেকে মালামাল ছুড়ে ফেলে দিয়ে ঘরবাড়ি ভাংচুর করতে থাকে।

সন্ত্রাসীদের কাছে ভারী অস্ত্র থাকায় কেউ পাল্টা হামলার সাহস করেনি। যদি পাল্টা হামলা হতো তাহলে কয়েকজনের লাশ পড়তো বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।

হামলার সময় সন্ত্রাসীরা ঘরের ভাড়াটিয়া নারী ও শিশুদের টেনেহিঁচড়ে ঘর থেকে বের করছেন। যেসব নারী লাঞ্চিত করেছে।

প্রতক্ষ্যদশীরা জানান, নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল সন্ত্রাসীরা ভাড়াটিয়া গুণ্ডা হিসেবে জায়গাটি দখলে নিয়ে দেয়ার জন্য এ হামলা চালিয়েছে। হামলাকারী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগ নেতা ও মেয়র আ জ ম নাছির গ্রুপের লোকবলে স্থানীয়রা জানান।

হামলার শিকার জাহানারার বেগম বলেন, আমরা এখানে ভাড়াটিয়া, আমাদের অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য সময় না দিয়ে আমাদের সব কিছু ভাঙচুর করেছে। লুটপাট করে নিয়ে গেছে।

জায়গাটির ক্রেতাসুত্রে মালিকানা দাবীদার মৃদুল কান্তি ধর পাঠক ডট নিউজকে জানায়, ৮ মাস আগে কেবি আবদুস সাত্তারের ওয়ারিশ থেকে তারা প্রায় ৪০জন ১৫ গন্ডা জায়গা কিনেন। জায়গাটি আমাদের বুঝিয়ে দেয়ার সময় ভাড়াটিয়াদের কিছু টাকা-পয়সা দিয়ে বিদায় করার কথা আগের মালিক বলে যান। কিন’ এসব ভাড়াটিয়া জোরপূর্বক থেকে যেতে চায়। এ কারণে আজ তাদের উচ্ছেদ হতে হলো।

মৃদুল কান্তি ধর দাবি করেন,  পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে আমরা তাদের উচ্ছেদ করেছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, জায়গার মালিক তার ক্রয়করা জায়গা বেদখল থেকে দখলে নিয়েছে। অবৈধদের উচ্ছেদ করেছে। মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি।

2 মন্তব্য

  1. জোর জার মুল্লুক তার! কালকে বড় বড় করে হলুদ মিডিয়া লিকবে! এই গুলি সব কেলনার পিচতল! ওরা সবাই ভালো ছেলে!ওদের কে পুলের মালা দিতে হবে! এইটাই একন আমাদের কালছার!ওরা সবাই সোনার ছেলে! ওরা সবাই দেশ প্রেমিক! ওদের কে কিছু ভলা জাবেনা! ওদেরকে চোয়া জাবে না! দিক্কার জানায় ঐ সব হলুদ মিডিয় ও প্রসাসনকে জারা সব কিছু দেকেও না দেকার ভান করে!

একটি মন্তব্য দিন