কবি নজরুল অগ্নিবীণা সাহিত্য সন্মাননা পেলেন লেখিকা তুলতুল

0
.

শিশু সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ঔপন্যাসিক ও শিশু সাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল পেয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল অগ্নিবীণা সাহিত্য সন্মাননা।নজরুল সাহিত্য চর্চা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অগ্নিবীণা ঢাকা মহানগর সংসদ এ সন্মাননা প্রদান করেন।

নজরুল একাডেমীর উদ্যোগে গত ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদের অনুষ্ঠিত বর্ষবরণ, সাহিত্য সন্মাননা ২০১৭ ও উদ্বেগে মনোমুগ্ধকর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান লেখিকা তুলতুলের হাতে সন্মাননা তোলে দেয়া হয়।

“ওই নূতনের কেতন ওড়ে কাল বোশেখির ঝড়, তোরা সব জয়ধ্বনি কর।” নজরুলের এই কবিতা প্রতিপাদ্য করে ঝাঁকঝমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ এম পি কবি কাজী রোজী।

এস এম জগলুল হায়দার জাতিয় সংসদ সদস্য সাতক্ষীরা ৪ আসন।উদ্ভোধক ছিলেন প্রখ্যাত গীতিকবি, সাংবাদিক ও গবেষক কেজি মোস্তফা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন রবিন মুখোপাধ্যায় সম্পাদক অগ্নিবীণা কলকাতা, ভারত।স্বাগত বক্তব্য রাখেন নজরুল ভাবুক সাংবাদিক প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদ এইচ এম সিরাজী।

কবি ছড়াকার আসলাম সানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ।সমাপনী বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক আহবায়ক নজরুল চর্চা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অগ্নিবীণা ঢাকা মহানগর সংসদ কবি ও গল্পকার ফখরুল হাসান।

উল্লেখ্য যে শাম্মী তুলতুলের দাদু লেখক আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার ছিলেন একজন লেখক, শিক্ষক ,ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ও কবি কাজী নজরুল ইসলামের বালকবন্ধু।  ১৯৩২ সালে কবি নজরুল রাউজানের মোহাম্মদপুর গ্রামে এসেছিলেন সাহিত্য ও শিক্ষা সম্মেলনে।কুদ্দুস ছিলেন সেই সাহিত্য সম্মেলনের নির্বাহী পরিচালক।তারা এক সাথে খেয়েছেন এক সাথে ঘুমিয়েছেন একসাথে বেরিয়েছেন।

তুলতুল এই বিষয়ে দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক আজাদী দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক পূর্বকোণ , অনলাইন নিউজ পোর্টাল পাঠক ডট নিউজ সহ ভারতের সাময়িক প্রসঙ্গে প্রচুর লেখালেখি করেছেন।

ছোট বেলা থেকে তুলতুলের লেখালেখিতে হাতেখড়ি।  সেই থেকে বাংলাদেশ, ভারত উভয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর তার সাহিত্যে পদচারনা।তার বইয়ের সংখ্যা এই পর্যন্ত দশটি। এর আগেও পাঁচবার তুলতুল লেখালেখি ও সাহিত্যে অবদানের জন্য সাহিত্য সন্মাননা পান।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন