সীতাকুণ্ডে টেইলার্স কারিগরদের কাটছে নির্ঘুম রাত

0
.

সারা দেশের ন্যায় ঈদকে সামনে রেখে মুসলিম পরিবারে নতুন পোশাক তৈরির ধুম পড়েছে সীতাকুণ্ডেও। এর ফলে ব্যস্ততা বেড়ে চলেছে দর্জি দোকানগুলোতে। প্রতিটি দর্জি দোকানের কারিগরদের এখন নির্ঘুম রাত কাটছে। রাত জেগে তৈরি করছে নিত্য নতুন ডিজাইনের জামা-কাপড়।

যেন কথা বলার সময় পর্যন্ত নেই তাদের। সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দর্জি কারিগররা ব্যাস্ত সময় পার করছে। ঈদের প্রচুর কাজ জমে আছে দোকানগুলোতে। তাই কথা বলার ফুসরতও নেই তাদের।

সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়ায় গাউসিয়া টেইলার্স এন্ড ক্লথ এর মালিক নাছির উদ্দিন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার রোজার প্রথম থেকেই অর্ডার শুরু হয়েছে। এ ছাড়া পনের রোজার পর থেকে আরো প্রচুর অর্ডার আসবে। দোকানের সবাই এখন অনেক ব্যস্ত। ছেলেদের পাঞ্জাবীর চাহিদা বেশি তাই নতুন নতুন ডিজাইনের পাঞ্জাবীর অর্ডার পাচ্ছি।

নাছিন বলেন এখন যেহেতু ঈদ মৌসুম তাই কারিগর পাওয়াও খুব মুসকিল। এখন কারিগরের অনেক ডিমান্ড।

আল আমিন ট্রেইর্লাসের কার্টার মাস্টার নজরুল বলেন, মেয়েরা নিত্য নতুন ডিজাইনের কাপড় সেলাইয়ের অর্ডার দিচ্ছে। তাদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা সেরকমই তৈরী করে দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত আমরা অর্ডার নিচ্ছি। বিশ রোজা পর থেকে আমরা অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেব। বেশ কয়েকজন তরুনী জানালেন যদিও সেলাইয়ের দামটা একটু বেশি। তারপরও ঈদ উপলক্ষে পছন্দের পোষাক দামি না হলেও চলেনা। অনেকে জানিয়েছেন ঈদ উপলক্ষে
পোশাক সেলাইয়ের দাম অনেকটা বেশি রাখা হচ্ছে।

এব্যাপরে টেইলার্স মালিকরা জানান, ঈদ উপলক্ষে কারিগরদের বেতনের পাশাপাশি বোনাস ও দিতে হয় তাই একটু বেশিই মজুরি নেয়া হচ্ছে। তবে তা অতিরিক্ত নয়।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন