সড়ক-মহাসড়কের পাশে পশুর হাট নয়-এসপি চট্টগ্রাম

0
.
.

আসন্ন কুরবানির ঈদে সড়ক মহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও কুরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা বিষয়ে পরিবহন নেতৃবৃন্দ ও সুধী সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে জেলা পুলিশ অফিসের সভাকক্ষে জেলা পুলিশ সুপার নুরে-আলম মিনার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সড়ক মহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, কুরবানী পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তা বিধান, রাস্তার পাশে যত্রতত্র কুরবানির পশুর হাট গড়ে তোলার ব্যপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞাসহ সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ে। মহাসড়কের আশে পাশে বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠে কুরবানী পশুর হাট। ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘেœ যেন বাড়ি ফিরতে পারে পুলিশ এ ব্যপারে সজাগ দৃষ্টি রাখবে। এক্ষেত্রে মহাসড়কে যানজট যাতে সৃষ্টি না হয় সেলক্ষ্যে পরিবহন চালকদেরকে ট্রাফিক আইনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। যানজট সৃষ্টি হয়ে যাতে মানুষের বাড়ি ফেরা কষ্টদায়ক না হয় সেক্ষেত্রে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট মহলকে সজাগ থাকতে হবে। বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে গাড়ি পার্ক করা যাবেনা। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্নে করতে সড়ক মহাসড়কে পাশে পশুর হাট বসতে দেয়া হবেনা। পশুর হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাসহ পশুর হাট সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে বলেও জানান তিনি।

সভায় পরিবহন মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিবহন চালকদেরকে পুলিশ কর্তৃক নানা হয়রানি কথা তুলে ধরা হয়। ঈদ উপলক্ষে এর মাত্রা বৃদ্ধি পায় বলে জানান তারা। এর জবাবে পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য ছাড়া পরিবহনে তল্লাশি করা যাবে ন্।া একই সাথে পশু পরিবহনকারী সকল পরিবহন কোন ধরনের চাঁদাবাজি যেন না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেন । তাছাড়া সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য ছাড়া পশু পরিবহনকারী পরিবহনসহ অন্যান্য পরিবহন থামানো হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন পুলিশ সুপার। তবে মাদকসহ অন্যান্য অপরাধের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে এব্যাপারে পুলিশ কঠোর হবে বলে জানান তিনি। ।

সভায় বিভিন্ন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY