আওয়ামীলীগের দূঃসময়ের কান্ডারী ছিলেন রফিকুল আনোয়ার ইঞ্জি. মোশাররফ

0
.

গৃহায়ন ও গণপুত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এমপি বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গণে একজন নিবেদিত প্রাণ রফিকুল আনোয়ার খুজে পাওয়া কঠিন। তিনি রাজনীতির মাঠে শুধু বিলিয়েছেন নেননি কিছুই। তার কর্মকান্ড ছিল গণ মানষের সাথে। তাই ২০০১ সালের প্রহসনের নির্বাচনেও রফিকুল আনোয়ার নির্বাচিত হয়েছেন গণমানুষের ভোটে। তিনি ছিলেন সব শ্রেনীর মানুষের প্রতিনিধি। তাই তাকে দমাতে ১/১১ এর সেনা শাসিত সরকারের আমলেও অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু দমাতে পারেনি। তিনি বার বার ফিরে এসেছেন সাধারণ মানুষের কাতারে।

তিনি শনিবার ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ রফিকুলর আনোয়ারের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নানুপুর ঢালকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী । তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের দূঃসময়ের কান্ডারী ছিলেন রফিকুল আনোয়ার। ২০০১ সালে তিনি ও আমি অনেক কষ্ট করে নির্বাচিত হই। সংসদে ও বাইরে দলের জন্য কাজ করি । তিনি একটি আলো ছিলেন, সেই আলো নিবে যাওয়ার কারণে আজ ফটিকছড়ির মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। যেটি এখানকার মাঠ ঘাট দেখলে বুঝা যায়।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন বলেন, রফিকুল আনোয়ার মাটি ও মানুষের বন্ধু ছিলেন। এখনো আছেন। মানুষের জীবনের সাধনা থাকে সৃষ্টি কর্তাকে ওপাড়ে পাওয়ার জন্য রফিক ভাই তার কর্মের মাধ্যমে সৃষ্টি কর্তাকে পাওয়ার সব পথ তৈরী করে গেছেন। ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্টিত শোক সভায় বক্তব্য রাখেন, রফিকুল আনোয়ারের কন্যা খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহাজান, সৈয়দ মো. বাকের। কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য মো. সেলিম, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী দিলুয়ারা ইউছুপ, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন