ইউনুছ পেলেন জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার

0
.

জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৭’ পেয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ ইউনুছ। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন ও কর্মক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিফলনের মাধ্যমে সহজে ও দ্রুততম সময়ে জনসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনে কর্মরত গ্রেড ১১-২০ পর্যায়ের কর্মচারীদের মধ্যে মোহাম্মদ ইউনুছ শুদ্ধাচারে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কেসিদে ইনস্টিটিউট (অফিসার্স ক্লাব), চট্টগ্রামের সভাপতি।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউনুছের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন।
নীতিমালা অনুসারে প্রতিটি মন্ত্রনালয়/বিভাগ/অন্যান্য রাস্ট্রীয় প্রতিষ্টানের গ্রেড ১-১০ ভুক্ত ১ জন কর্মচারী এবং গ্রেড ১১-২০ ভুক্ত একজন কর্মচারী আবার কোন কোন দপ্তরের গ্রেড ৩-১০ ভুক্ত, ৫-১০ ভুক্ত একজন কর্মচারী এবং ১১-২০ ভুক্ত একজন কর্মচারী প্রতি অর্থ বছরে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হবেন। পুরস্কার প্রদানের জন্য মন্ত্রী পরিষদ সচিব বা প্রতিষ্টান/ দপ্তর/সংস্থার প্রধানের নেতৃত্বে গঠিত বাছাই কমিঠি নির্বাচন করবে। শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য ১৮ টি সুচকে ৯০ নম্বর এবং মন্ত্রনালয়/ বিভাগ/অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান/ দপ্তর/ সংস্থা কর্তৃক ধার্যকৃত অন্যান্য কার্যক্রমে ১০ নম্বর সহ মোট ১০০ নম্বরে যাচাই বাছাই হবে। সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে শুদ্ধাচারে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করা হয়।

২০১৫-২০১৬ এবং ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের কর্মপরিকল্পনায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদানের কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারী করেন এবং গেজেট প্রকাশিত হয়। তবে কোন কর্মচারী যে কোন অর্থ বছরে একবার শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলে তিনি পরবর্তী তিন অর্থ বছরের মধ্যে পুনরায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই দিন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনে কর্মরত গ্রেড ১-১০ পর্যায়ের কর্মচারী সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়ে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার- ২০২৭ অর্জন করেছেন। স্টাফ রিভিও সভায় জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে তিনি পুরস্কার গ্রহন করছেন।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন