শিশু সুরক্ষায় রাজনৈতিক ভেদাভেদ নয় : মেয়র নাছির

0
.

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। এখনকার অভিভাবকরা শিশুদের বেড়ে উঠা এবং পড়ালেখা নিয়ে উদ্বীগ্ন থাকে এবং একা একা বেড়ে উঠার কারণে এখনকার শিশুরা অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রীক।

এ সমস্যা দূর করতে অভিভাবক ও শিশুদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত কাউন্সেলিং। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টারে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এ বিষয়ে কারিতাস এবং অন্যান্য যেসকল সংস্থা রয়েছে তাদেরকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে। দায়বদ্ধতার পাশাপাশি দায়িত্বের সাথেও শিশু সুরক্ষায় কাজ করতে হবে।

মমতা প্রকল্প কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল কর্তৃক আয়োজিত শিশুর প্রাক-শৈশবকালীন যত্ন ও উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।

আজ ডিসেম্বর ৬ বৃহস্পতিবার কারিতাস চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ে শিশুর প্রাক-শৈশব যত্ন ও উন্নয়ন বিষয়ক এক কর্মশালা আঞ্চলিক পরিচালক মি. জেমস্ গোমেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান এবং কর্মশালার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন।

শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশে (ইসিসিডি)-২০১৩ নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন। ‘ইসিডি বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কার্যকর নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা। ইসিডি বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি সেবা/সহায়তা সম্পর্কে জানা এবং তা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ’-এ তিনটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটিতে সঞ্চালনায় ছিলেন কর্মসূচি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সুলতান মিয়া, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নারগীস সুলতানা, ১৭,১৮,১৭ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফারজানা পারভীন, কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, বিজেএমই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সেক্রেটারী করিম উল্লাহ চৌধুরী, বিকেএমই এর ডেপুটি সেক্রেটারী (কম্পলাইন) মোহাম্মদ সোহেল, মানবাধিকার কর্মী ও ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু, প্রেস ক্লাব, চট্টগ্রামের সাবেক সাধারণ সম্পাদন মহসিন চৌধুরী বিভিন্ন গার্মেন্টস ও এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা, ডে-কেয়ার সেন্টার ও স্কুল প্রতিনিধিসহ মোট ৫০ জন উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে শিশু সুরক্ষা বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুরক্ষায় ইসিডি বিষয়ে কাজ করছে এমন এনজিও বা সংগঠনের সমস্বয় এবং সরকারি-বেসরকরি যৌথ অংশীদরিত্বের উপর গুরুত্বরোপ করেন।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন