বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় আ.জ.ম নাছির
অথনৈতিক মুক্তিই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি

0
.

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের বিজয়কে অর্থবহ করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সোনার বাংলা বাস্তবায়নে শত কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। অথনৈতিক মুক্তিই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি। এ ভিত্তি বির্নিমানে নেত্রী যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তাদেরকে সচেতনভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, অর্জিত বিজয়ে আত্মতুষ্টি প্রয়োজন নেই, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যারা আমাদের দলকে ক্ষমতায় এনেছেন তাদেরকে একটি সুন্দর বাসযোগ্য মাতৃভূমি উপহার দেয়া। তিনি ঘোষণা করেন দলকে তৃণমূল স্তর থেকে সংগঠিত করার জন্য সকল প্রস্তুতি ও উদ্যোগ আগে থেকেই ছিল। এখন তা প্রয়োগের পালা। তিনি এ নিয়ে কোন বির্তক বা সমালোচনার অবকাশ নেই। আমি কথা দিচ্ছি যারা যোগ্য এবং পরীক্ষিত তারাই নেতৃত্বে আসবেন। তাদেরকে নিয়েই দল সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একটি ঐতিহাসিক দিক। এ দিনে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা হয়েছে। জনগণ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় আসীন করেছে। তাই সর্বক্ষেত্রে এ বিজয় বাঙালি জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সৃদুঢ় ম্যান্ডেট।

সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস শেখ শহিদুল আনোয়ার, বখতিয়ার উদ্দিন খান, থানা আওয়ামী লীগের আনসারুল হক,  মহিম উদ্দিন মহিম, ছাত্রলীগের ইমরান আহমেদ ইমু।

সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. সুনীল কুমার সরকার, এম জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম, উপদেষ্টা শেখ মোহাম্মদ ইছহাক, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, এড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, হাজী মো: হোসেন, হাজী জহুর আহমদ, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবু তাহের, উপ সম্পাদক শহিদুল আলম, জহরলাল হাজারী, কার্যনির্বাহী সদস্য হাজী আবুল মনসুর, মো: নরুল আলম, মহব্বত আলী খান, অমল মিত্র, রোটারিয়ান মো: ইলিয়াছ, হাজী বেলাল আহমদ, থানা আওয়ামী লীগের হাজী শফিকুল ইসলাম, হাজী ছিদ্দিক আলম, হাজী মো: ইছহাক, কাজী আলতাফ হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শামসুল আলম, সৈয়দ মো: জাকারিয়া, মো: জাামাল উদ্দিন, নুরুল আজিম নুরু, আবুল বশর, সলিমউল্লাহ বাচ্চু, কায়সার মালিক, আশরাপুল আলম, স্বপন ভট্টাচায্য, শেখ সরওয়ার্দী, মো: ইয়াকুব, মো: আফছার উদ্দিন চৌধুরী, আবদুস শুক্কুর ফারুকী, হাজী মো: হাসান, ফরিদ আহমদ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আবদুল মান্নান, সালাউদ্দিন ইবনে আহমদ, সরওয়ার মোরশেদ কচি, এরশাদ মামুন, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, ফয়েজ উল্লাহ বাহাদুর, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, মো: মুছা, আকবর আলী আকাশ প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই