জেলার প্রশাসন, সিডিএ ও বন্দরকে বিবাদী করা হবে

কর্ণফুলী তীরে উচ্ছেদ শুরু করতে আদালতে রীট করার সিদ্ধান্ত

0
.

প্রশাসনিক জটিলতায় থমকে যাওয়া চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে আবারো উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জটিলতা নিরসন না হলে উচ্চ আদালতে এ রীট করা হবে। এক্ষেত্রে মামলায় অধিভুক্ত করা হবে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সিডিএ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও গত দু’মাসের বেশি সময় ধরে উচ্ছেদ বন্ধ থাকায় অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ এই রিট আবেদন জানাবেন।

কর্ণফুলী নদীর দু’তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সময় লেগেছিল আড়াই বছরের বেশি। ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসের নির্দেশনায় কাজ শুরু হয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু ৫ দিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায় উচ্ছেদ কার্যক্রম। মূলত সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণেই গত দু’মাস ধরে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে।

উচ্ছেদ বন্ধের পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে নানা ধরণের প্রশাসনিক জটিলতা। জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও জায়গার মালিক চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। উচ্ছেদকৃত জায়গা পুনরায় দখল ঠেকানোর ব্যবস্থা না নেয়ার পাশাপাশি উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন উচ্চ আদালতে রিট আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। বৃহস্পতিবার( ৪ মার্চ) সকালে তিনি কর্ণফুলী নদীর দু’তীর পরিদর্শনে এসে এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় উচ্চ আদালতে রীট করার কথা জানান।

উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। তিনটি জোনে ভাগ করে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর কথা থাকলে’ও শুধুমাত্র সদরঘাট এবং মাঝিরঘাট এলাকায় উচ্ছেদ চালানো হয়েছে। এখনো অবৈধ স্থাপনা রয়ে গেছে সদরঘাট হয়ে কর্ণফুলী সেতু এবং বারিক বিল্ডিং হয়ে ১৫ নম্বর ঘাট পর্যন্ত।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম দফার উচ্ছেদে নগরীর সদরঘাট এবং মাঝিরঘাট এলাকার ২শ ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে ১০ একর জায়গা পুনরুদ্ধার করা হয়। সে সাথে দখল মুক্ত করা হয় ৫টি খালের মুখ।  সুত্রঃ সময় টিভি

*কর্ণফুলী নদীর পাড়, নোটিশ পেয়েও উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ মৎস্য বাজার

*“কর্ণফুলির পাড়ের অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান আবার শুরু হবে”

*উচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও কর্ণফুলির তীরে অবৈধ মৎস্য বাজার উচ্ছেদ হচ্ছে না

 

কোন মন্তব্য নেই