সীতাকুণ্ডে জাল দলিল করে সম্পত্তি দখল করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

0
.

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
সীতাকুণ্ডে জাল দলিল সৃজন করে ১১৯ শতক সম্পত্তি দখল করার প্রতিবাদ এক নিরীহ ভূক্তভোগি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিকার চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আজ শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকালে সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগি মোঃ এনামূল হক লিখিত বক্তব্যে বলেন,১৯৭০ সালে

গোলতাজ বিবি ৭৩ শতক সম্পক্তি এনামূল হক ও একরামূল হককে দানপত্র করে। বিএস মাঠ জরিপের সময় এনামূল হক,তার ভাই একরামূল হক ও তাদের পিতা দেলোয়ার হোসেনের নামে দানপত্রসহ মৌরশী ওয়ারিশী হিসাবে ১৩৪ শতক সম্পত্তি বিএস রেকর্ড হয়।তবে দানপত্র মূলে এনামূল হক তার সৎ মা তাহেরুন্নেছা ও শফিউল আলমের কাছে ১৪ শতক সম্পত্তি বিক্রি করে ১৯৭৯ সালে।এরপর ১৯৮৯ সাল থেকে এনামূল হক দীর্ঘ ২৩ বছর যাবত চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করে বাড়ীতে আসা

যাওয়া ছিল না।অপরদিকে তার ছোট ভ্ইা একরামূল হক ১৯৮১ সালে পাকিস্তানে গিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।সেখানে বসবাস করা অবস্থায় ২০১৭ সালে মারা যান।কিন্তু এনামূল হকরা এলাকার বাহিরে থাকার সুবাদে তাদের সৎ মা তাহেরুন্নেছা,সৎ ভাই মাসুদুল ইসলাম ও মাইদুল ইসলামগং ভেন্ডার শফিউল আলমের মাধ্যমে জাল দলিল সৃজন করে তাদের ১১৯ শতক সম্পত্তি দখল করে রাখে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে।

কবলা নং-৪০৮৫,তাং-০৬/১০/১৯৯০ইং ও কবলা নং-৩৮৭২. ১৩/০৯/১৯৯০ইং মূলে দলিল সৃজন করে সাড়ে ২৭ শতক নিয়ে নেয়।এভাবে আরো অনেক জাল দলিল সৃজন করে সমস্ত সম্পত্তি তাদের নামে নিয়ে নেয়।বর্তমানে এনামূল হক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার আসায় বিভিন্ন সংস্থার কাছে ধর্ণা দেয়ার কারণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। তাকে জানে মেরে ফেলার জন্য ভেন্ডার মৃত শফিউল আলমের ছেলে ভেন্ডার মোঃ আসলাম হুমকি দেয় বলে ভূক্তভোগি এনামূল জানান।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,নুরুল আমিন(৫৫), সাইদুল আলম(২২) এবং এনামূলের দুই ছেলে মোঃ শামীম ও আমিন।

কোন মন্তব্য নেই