বিএফইউজে ও ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের বিবৃতি
ক্ষমা না চাইলে শমী কায়সারকে বয়কট করবে সাংবাদিকরা

1
ব্রেকিং নিউজ
  •                                                                                                                                    
.

অভিনেত্রী শমী কায়সারকে তার অসৌজন্যমূলক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের জন্য সাংবাদিকদের কাছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নেতৃবৃন্দ।

সেই সাথে সংগঠনটি সাংবাদিকদের সাথে অভিনেত্রী এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) প্রেসিডেন্ট শমী কায়সারের আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘একজন শহীদ সাংবাদিকের মেয়ে হয়ে পিতার পেশার উত্তরসুরীদের ‘চোর’ বলে সম্বোধন করে শমী কায়সার প্রকারান্তরে তার পিতাকেই নিকৃষ্টভাবে অসম্মান করেছেন। শুধু তাই নয়, একজন সেলিব্রেটি হিসাবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘মোবাইল ফোন’ হারানোর সূত্রে যে আচরণ করেছেন তা সেলিব্রেটিদের প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তার মতো একজন অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয়।’

এছাড়া ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান এক বিবৃতিতে বলেন, একজন শহীদ সাংবাদিকের মেয়ে হয়ে পিতার পেশার উত্তরসূরিদের ‘চোর’ সম্বোধন করে শমী কায়সার প্রকারান্তরে তার পিতাকেই অসম্মান করেছেন। তার মতো একজন অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে নেতারা শমী কায়সারকে তার ব্যবহারের জন্য সাংবাদিক সমাজের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় তাকে সাংবাদিক সমাজ বয়কট করবে।

উল্লেখ্য গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে শমী কায়সারের দুটি স্মার্ট ফোন চুরি যায়। এ সময় তিনি সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন বলে অভিযোগ করেন এবং তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশি চালান।

এ সময় কেউ কেউ বের হতে চাইলে তাদের ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন সংবাদকর্মীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানস্থলে।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্ট ফোন দুটি নিয়ে গেছেন। তা দেখার পর সাংবাদিকদের প্রতি ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

প্রথম মন্তব্য

  1. একে একে সব সাংবাদিকের পকেট তল্লাশী করা হলো। বাকী রইল এক সাংবাদিক। সে তার পকেটে হাত দিতে দিচ্ছে না। সবার নজর তার দিকে গেল। মঞ্চে উপবিষ্ট নায়িকার মুখে হাসি দেখা গেল। এ ব্যাটা নিশ্চয়ই চোর। নাহলে পকেটে হাত দিতে দিবে না কেন!
    এই বুঝি মোবাইল চোর ধরা পড়ল।

    নায়িকা সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি নিজেই সেই সাংবাদিকের পকেটে হাত দিবেন। তিনি হুমকির সুরে বললেন “এই ছেলে, তুমি ভালো মানুষের মত এদিকে আসো। তুমি কি জানো আমি কে? আমার মা এমপি। আমি চাইলে তোমাকে পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে ছাল তুলে দিতে পারি। তুমি এদিকে আসো। আমি তোমার পকেট চেক করব।”

    ছেলে সাংবাদিকটি ভয়ে জড়ো সড়ো হয়ে মঞ্চের দিকে এগোল। কাঁপা কাঁপা গলায় বলল “দেখুন আমি মোবাইল চুরি করি নাই। আমার পকেটে হাত দেয়া উচিৎ হবে না!”

    নায়িকার সন্দেহ বেড়ে গেল। তিনি উঠে দাঁড়ালেন। তিনি ছেলেটির কাছে গেলেন। এক ঝটকায় ছেলেটির পকেটে হাত দিলেন। পকেটে হাত দেয়ার সাথে সাথেই নায়িকার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। নায়িকা হাত বের করে মিনমিন কন্ঠে বলল “সরি, আসলে ভুল হয়ে গেছে। তোমাকে সন্দেহ করা ঠিক হয় নাই।”

    ঘন্টাখানেক পরে।

    সেই সাংবাদিক বন্ধুদের নাস্তা করাচ্ছে। তার পকেটে এখন অনেক টাকা। বেশ কয়েকজনের সাথে বাজি ধরে আজ জিতেছে। জেতার টাকা দিয়ে সে বন্ধুদের খাওয়াচ্ছে। অবশ্য এই বন্ধুরাই তার সাথে বাজীতে হেরেছে।

    তার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল এক নায়িকাকে দিয়ে তার ‘ইয়ে’ ধরাবে। সেজন্য সে আজকের দিনের অপেক্ষায় ছিল। প্ল্যান করে একজনকে দিয়ে নায়িকার মোবাইলটা চুরি করিয়ে মঞ্চের পিছনে অফ করে রেখে দিয়েছিল।

    আর প্ল্যান বাস্তবায়নের দ্বিতীয় ধাপ ছিল-

    ছেলেটির পকেট ইচ্ছা করে ছিড়ে রেখেছিল আর সে আজ জাইংগা পরেনি।