বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনিকে না চেনাই ভাল ! বেশি চিনি খেলে শরীরের কী কী ক্ষতি হয় ?

0
ব্রেকিং নিউজ
  • আজ উদ্বোধন হচ্ছে বেনাপোল-ঢাকা ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস

                    আজ উদ্বোধন হচ্ছে বেনাপোল-ঢাকা ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস

                    আজ উদ্বোধন হচ্ছে বেনাপোল-ঢাকা ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস

.

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনিকে না চেনাই ভাল। এর উপকারিতা যত, ক্ষতি তার চেয়ে অনেক বেশি। যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে ৩-৫ চামচ চিনি খেতে পারেন! তার বেশি কখনওই নয়। জেনে নিন বেশি চিনি খেলে শরীরের কী কী ক্ষতি হয়

চিনির গ্লুকোজ শরীর শোষণ করে নেয়। কিন্তু পরিষোধিত চিনিতে ফ্রুকটোজ বেশি থাকে। ফ্রুকটোজকে একমাত্র পরিশোধন করতে পারে লিভার। লিভারে গিয়ে এই ফ্রুকটোজ চর্বিতে পরিণত হয়। ফলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়াও, বেশি চিনি খেলে লিভার অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য হয়। ফলে লিভারে জটিলতা তৈরি হয়। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। কমে যায় ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা।

রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। ওজন ও ডায়াবিটিস বাড়াতে চিনির জুড়ি মেলা ভার! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি পরিমাণ চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া কিডনির জন্য একেবারেই ভাল নয়। কিডনিতে পাথরও তৈরি হতে পারে।

শরীরে ক্ষিদের মাত্রা নির্ণয় করে লেপটিন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনি লেপটিন প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি করে। পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরও ক্ষিদে থেকে যায়। ফলে, স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি খাওয়ার প্রবণতা তেরি হয়। চিনিতে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যায়। চিনি ক্ষয়কারী ব্যাকটিরিয়াকে সজীব রাখে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাত্রাতিরিক্ত চিনি খেলে প্যাংক্রিয়েটিক ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার, ক্ষুদ্রান্তের ক্যানসার, গলা, ফুসফুস, রেকটাম ও স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পায় হ্রদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা।

স্থূলতা ও ডায়াবিটিসের ফলে মস্তিষ্কের বিভ্রাট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। দেহের বিভিন্ন হাঁড়ের সংযোগস্থলে, বিশেষ করে পায়ের হাড়ের ব্যথার অন্যতম কারণ চিনি।

গবেষণা বলছে, বেশি চিনি বাচ্চাদের কাজ করার আগ্রহ নষ্ট করে দিতে পারে। শিশুদের মধ্যে দুশ্চিন্তা, মনোযোগের অভাব, উত্তেজনা বেড়ে যায়।বাচ্চাদের শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। শিশুদের এগজিমা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।

বেশি চিনি খেলে নারী ও পুরুষ, উভয়েরই যৌন জীবনে ক্ষতি হতে পারে।রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বাড়িয়ে দেয় সি-পেপটাইডের ঘনত্বও ।হানা দেয় ডিপ্রেশন । শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থের কার্যকারিতা কমে যায়।

কোন মন্তব্য নেই