কম খরচে বিয়ে, সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

0
.

জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত হল বিয়ে। তা সেটা বাড়ি থেকে দেখেশুনে হোক কি ভালবেসে হোক। দু’‌টি মানুষ একে–অপরের সঙ্গে সারাজীবন একসঙ্গে থাকার জন্য অঙ্গীকার বদ্ধ হবে এই বিয়ের মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিয়ে মানেই লক্ষাধিক টাকার জাঁক–জমকওয়ালা বিয়ে। যার পরিণতি কিছুদিন বাদেই দেখা যাচ্ছে বিবাহ–বিচ্ছেদ। আসলে বিয়েটা একদিনের হলেও তা টিকিয়ে রাখতে হয় সারা জীবন। তাই মনে হয় কম খরচে বিয়ে সারলে সেই বিয়ে টেকে জীবনভর। অনেকেই এখন সেভাবেই নিজেদের বিয়ে সারছেন। ঘনিষ্ঠ বন্ধু–বান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের নিয়েই বিয়েটা করছেন অনেকেই। কারণ তাঁদের উদ্দেশ্য হল একে–অপরের সঙ্গে গোটা জীবনটা কাটানো।
প্রথমেই বলি, সাধারণভাবে বিয়ে সারতে হলে পাত্রপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ দু’‌জনকেই রাজি থাকতে হবে। খুব বেশি নিয়ম–রীতির মধ্যে না গিয়ে একেবারে সাধারণভাবে বিয়েটা করে ফেলুন। দু’‌পক্ষের তরফ থেকেই যেন খুব ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ছাড়া আর কেউ না আসে। একটা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই বিয়ে–রিসেপসন একসঙ্গে হলে মন্দ হয় না। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ সবচেয়ে কার্যকর। তবে খেয়াল রাখবেন বয়স্কদের ভাবাবেগে কোনওভাবে যেন আঘাত না লাগে। কারণ অনেক বাড়িতেই বয়স্করা অনেক রীতি–নীতির মধ্য দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান সারতে চান। তাই প্রথমেই তাঁদের গোটা বিষয়টা বুঝিয়ে বললে ভাল হয়।
বিয়েতে খাবার খুব বড় ভূমিকা পালন করে। তাই সাধারণভাবে হোক আর জাঁক–জমকভাবে, বিয়েতে খাবারের স্বাদটা যেন বজায় থাকে। যদিও সাধারণভাবে বিয়েতে অনেক বেশি পদ করার দরকার হয় না। সকলের রুচি অনুযায়ী চার–পাঁচটা পদ হলেই হয়ে যায়। আমিষ এবং নিরামিষ দু’‌ধরনের পদই যেন থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাখবেন। এতে খাবার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। বিয়েতে যদি একদম সাধারণভাবে সাজতে চান সেটাও একরকমভাবে টাকা বাঁচানোরই একটা অঙ্গ। সবকিছু করার আগে অবশ্যই পাত্রপক্ষ কত খরচ করবেন এবং পাত্রীপক্ষ কত খরচ করবেন সে বিষয়ে বসে আলোচনা করে নেওয়াই শ্রেয়। তাতে দু’‌পক্ষের সুবিধা হবে। কিন্তু কম খরচে বিয়ে সারতে হলে প্রথমেই অবাঞ্ছিত অতিথিদের তালিকা থেকে সরাতে হবে, তা না হলে কোনওভাবেই বিয়ে সাধারণ ভাবে হবে না। দেখবেন, আপনার বিয়েই সেরা এবং উদাহরণ হয়ে থাকবে অন্যদের কাছে।

কোন মন্তব্য নেই