সম্পর্কও মাঝে মাঝে ঝালিয়ে নিতে হয়

0
.

একটি সম্পর্ক চাড়া গাছের মতোই। তাকে শুধু মাটিতে পুঁতে রাখলেই বড় গাছ হয়ে ছায়া-ফুল-ফল দেয় না। গাছের পরিচর্যা করতে হয়। প্রতিটি সম্পর্কের আলাদা নাম থাকে, সেই সঙ্গে থাকে কিছু দায়িত্বও। আর দাম্পত্য জীবনে সুখের স্বর্গ গড়তে চাইলে দু’জনকেই হতে হয় মনোযোগী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক রং হারাতে শুরু করে অনেক সময়। তখন সম্পর্কেরও প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্ন।

এই যেমন সবার প্রিয় তারকা দম্পতি ঐশ্বরিয়া-অভিষেক তাদের বিয়ের এক যুগপূর্তি(এপ্রিল ২০) মালদ্বীপে উদযাপন করছেন।

কীভাবে নেবেন সেই যত্ন:

দিনগুলো মনে রাখা
জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোর একটি হচ্ছে সঙ্গীর জন্মদিন। কোনো অজুহাতেই নিজের অ্যানিভার্সারি বা সঙ্গীর জন্মদিন ভুলে যাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ দিনে প্রিয় মানুষের জন্য একটু সময় রাখুন। তাকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান, পছন্দের কিছু উপহার দিন। এভাবেই স্পেশাল মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় ধরে রাখুন। প্রিয়জনদের সঙ্গে শেয়ার করুন। এসব প্রস্তুতি আর প্রাপ্তির মাঝেই সম্পর্ক ভোরের আলোর মতো ভালোবাসার আভা ছড়িয়ে দেবে।

যোগাযোগ
সারাদিন বাইরে থাকতে হয়, ব্যস্ততার শেষ নেই। এজন্য সঙ্গীকে কোনো দিনই একটা ফোন করে জানতে চাওয়া যাবে না, সে দুপুরে খেয়েছে কিনা, তাই কি হয়! সঙ্গী যদি বছরের পর বছর আগ্রহ নিয়ে আপনার খোঁজ নিতে পারেন, তবে মাঝে মাঝে আপনিও তাকে নিজে থেকেই ফোন দিন বা একটি ছোট্ট বার্তা পাঠিয়ে দিন ভালোবাসায় মোড়ানো।

যদি দূরে থাকেন
কাজের প্রয়োজনে অল্প বা বেশি দিনের জন্য যদি দু’জনকে আলাদা থাকতে হয়, তবে সম্পর্কে শুন্যতা তৈরি হতে দেবেন না। কি করছেন, কোথায় যাচ্ছেন, কি কি দেখছেন সব শেয়ার করুন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে। ফেরার সময় তার জন্য ছোট হলেও একটা উপহার নিয়ে আসুন। আর যিনি বাড়িতে থেকে প্রিয়জনের জন্য অপেক্ষা করছেন, তার জন্য পরামর্শ হচ্ছে, সঙ্গী ফেরার আগে তার পছন্দমতো ঘর সাজান, রান্না করুন এবং নিজেও তৈরি হন। চাইলে ছোট একটি উপহার আপনিও এনে রাখতে পারেন। এবার মিষ্টি হেসে তাকে স্বাগত জানান।

মনে রাখবেন, এই ছোট ছোট কাজগুলোই কিন্তু সম্পর্কের মাঝে দেয়াল উঠতে দেয় না।

কোন মন্তব্য নেই