সীতাকুণ্ডে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ইকবাল পরিকল্পিত হত্যার শিকারঃ দাবী পরিবারের

0
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
সীতাকুণ্ডে গভীর রাতে র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে ধর্ষণ মামলার আসামী ইকবাল হোসেন রানা(২০) নিহত হওয়ার ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবী করেছেন নিহত ইকবারের পরিবার।

নিহত রানার বড় ভাই ইসমাইল হোসেন রাজু জানান,তার ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়। সে ঢাকা জেলার উত্তর খাঁন থানাধীন মাষ্টার বাড়ী এলাকায় বিগত ৫/৬ মাস আগে থেকে আমার খালু হাজী সিরাজ উদ দৌলার মুদির দোকান দেখা শোনা করে। গত মঙ্গলবার অনুমান রাত সাড়ে ১০টায় রানা মুদির দোকান বন্ধ করে খালাতো ভাই মনিরসহ বাসায় যাওয়ার পথে সাদা পোষাকে ৩ জন লোক রানাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে মনিরকে মোবাইল ও টাকা পয়সা দিয়ে পোষাকধারীরা বলে “তুমি বাসায় চলে যাও, ওর সাথে আমাদের কাজ আছে”।সে বাসায় গিয়ে রানার খালুকে ঘটনাটি জানালে তিনি উত্তর খাঁন থানায় এসে সাদা পোষাকে থাকা ঐ ৩ জনের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা একটি জিডি করে।জিডি করার পর খালুর মোবাইল দিয়ে উত্তর খাঁন থানার ওসি রানার ভাই রাজুর সাে কথা বলে। এবং আসল বিষয় কি জানার চেষ্টা করে।

রাজু আরো জানায়, যে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হচ্ছে আমার ভায়ের সাথে ঐ মেয়েটিকে বিবাহ করাতে চাইলে মেয়ের দুলা ভাই নুরু উদ্দিন আমারে কাছে ২০ লাখ টাকা দাবী করে এবং টাকা দিলে বিয়ে হবে। তাই তারেকে টাকা না দেয়ায় আমার ভাই রানাকে সাদা পোষাকে র‌্যাবের লোক দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করায়।

এদিকে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার গভীর রাতে ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে ইকবাল হোসেন রানা (২০) দোয়াজী পাড়া ল্যাংটা পোল এলাকায় র‌্যাবের সাথে ক্রস ফায়ারে মারা যায়।

র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পু্লিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান পাঠক ডট নিউজকে বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রানাকে ধরতে আমিরাবাদ গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় র‌্যাবকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায় এবং র‌্যাবও পাল্টা জবাব দেয়। এক পর্যায়ে রানা গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরে তাকে চমেক হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষনা করে।

উল্লেখ্য ৫ মাস আগে সাদেক মস্তান (রঃ) উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রণির ছাত্রী তার বাসার সিঁড়ি দিয়ে ছাদ থেকে নামার সময় রানা তাকে ধর্ষণ করে বলে মামলার সূত্রে জানা যায়। মামলা নং-৫(২)১৯ইং।

ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শামীম শেখ বলেন, ইকবার র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে মারা যায়। তার বিরুদ্ধে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা আছে।

*সীতাকুণ্ডে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণ মামলার আসামী নিহত

 

কোন মন্তব্য নেই