অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা কেড়ে নেয় উজ্জ্বলতা

0
.

অফিসে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, মানসিক চাপ, নাইট ডিউটিতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুমের ঘাটতি হওয়ায় আমাদের ত্বক ও স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ডার্মাটোলজিস্ট চিরঞ্জীব চাবরা বলেন, দীর্ঘ সময় কর্মক্ষেত্রে থাকলে ক্লান্তি ভর করে আর ত্বকের উজ্জ্বলতাও কমে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আজকাল অনেক তরুণ-তরুণীই কাজ করেন। আমাদের ঘরে বাইরে একাধিক দায়িত্ব এবং শহুরে জীবনের ক্রমাগত চাপ রয়েছে।

• দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শরীর এবং ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে – চামড়ার কোলাজেন এবং এলাস্টিন ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে আমাদের ত্বকের সজিবতা হারিয়ে যায়। এটি ত্বকে শুষ্কতা ও ব্রণের জন্য দায়ী।

• ঘুম আমাদের ত্বকের জন্য খুব প্রয়োজন। ঘুমের মধ্যেই আমাদের ত্বকও বিশ্রাম পায়, সৌন্দর্যও বাড়ে। কারণ সারাদিনের সূর্যের তাপ, ধুলা-ময়লায় সৃষ্ট ক্ষতির মেরামত কাজ করে। দীর্ঘ সময় কাজ করার ফলে আমাদের ঘুম কম হয়, যার প্রভাব ত্বকেও পড়ে।

• কাজের ব্যস্ততায় স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করা আর খাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। নির্ভরতা বাড়ে বাইরের কেনা খাবারে। পানি কম পান করা হয়, ফাস্টফুড যেমন ক্যালোরি যোগ করে, তেল বেশি ব্যবহার করা হয় বাইরের খাবারে, আবার ফাইবার কম থাকে। এটি হজমে সমস্যা করে ত্বকের জন্যও ক্ষতির কারণ। অল্প বয়সে ত্বকের বলিরেখাও দেখা দেয়।

তাহলে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য কী করা উচি‍ৎ? জেনে নিন, ক্ষতিকারক প্রভাবগুলোকে দূর করতে যা করতে পারি:

• মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত মেডিটেশন করা যায়, ব্যায়াম করুন অথবা খোলা জায়গায় হাঁটুন। সারাদিনের মাত্র আধাঘণ্টা শুধু নিজেকে দিন। এটি আপনার মনকে শান্ত রাখবে, কাজে মনোযোগ বাড়বে, ত্বকও ভালো থাকবে।

• যদি আপনার ত্বকে মেসতা বা বলিরেখার লক্ষণ দেখাচ্ছে, তবে আপনাকে ত্বকের বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে হবে। তার পরামর্শ ত্বক সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে।

• ঘুমের সাথে আপোস করবেন না। যদি কাজের সময় কমাতে না পারেন, তবে অন্য কাজ কমিয়ে দিন। যেমন টিভি দেখা বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সময় কম দিন।

কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনে বেশি সময় থাকতে হলে থাকবেন। তবে এটা রেগুলার প্র্যাকটিস করে নেবেন না।

কোন মন্তব্য নেই