“জননেতা জহুর আহম্মদ চৌধুরী’ বাঙালীর হৃদয়ের মণিকোঠায় বেঁচে থাকবেন”- রিয়াজ

0
.

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ভুমিকার কারনে বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রী, জননেতা জহুর আহম্মদ চৌধুরী’ বাঙালীর হৃদয়ের মণিকোঠায় বেঁচে থাকবেন বলে তাঁর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আলোচনায় উল্লেখ করেছেন চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।

তিনি আজ সোমবার চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের সদস্যবৃন্দকে সাথে নিয়ে মরহুমের কবর জেয়ারত করেন।

মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ শেষে জননেতার কর্মময় জীবন নিয়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক উদ্যোগ চট্টগ্রামের যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, সুমন দেবনাথ, তারেক মাহমুদ পাপ্পু, প্রধান সমন্বয়ক সাংস্কৃতিক সংগঠক খোরশেদ আলম, মরহুমের কনিষ্ঠ পুত্র শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, সংস্কৃতিকর্মী জসীমুল হক চৌধুরী, সজল দাশ, আবু তাহের, আবদুস সোবহান প্রমুখ।

জহুর আহমেদ চৌধুরীর বাড়িতে চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের সদস্যদের সমাবেশটিতে যোগ দেন জহুর আহমেদ চৌধুরীর পুত্র চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর সময়ে এই জননেতার বর্ণাঢ্য কর্মকাল তুলে ধরেন।

এ সভায় চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের জীবন অনুসরণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জহুর ইআহম্মদ চৌধুরী’র বহুমাত্রিক মানবিক গুণাবলী ও জীবনাদর্শ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল শক্তির জন্য অনুসরণীয়। তাঁকে অনুসরণ করে আমাদের সকলকে এগিয়ে যেতে হবে। ত্যাগ, সততা ও মনুষ্যত্ববোধই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক জহুর আহম্মদ চৌধুরীকে অমর করেছে।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় রাজনীতির অবদানের পাশাপাশি জহুর আহম্মদ চৌধুরী চট্টগ্রামের উদ্যোগে সদা সচেষ্ট ছিলেন । এ চট্টগ্রামের বহু নেতা তাঁর হাত ধরে রাজনীতির মাঠে এসেছেন। তাঁর মত সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ নেতা এইযুগে দুর্লভ।

পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক রিয়াজ আরো বলেন, ‘জাতির পিতার সহযোদ্ধা জননেতা জহুর আহমেদ চৌধুরী ছিলেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ভাষাসংগ্রামী এবং প্রখ্যাত শ্রমিক নেতাও ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সাথেই কলকাতা-ঢাকা-চট্টগ্রামে রাজনীতির এই সারথি আওয়ামী মুসলিম লীগ হয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় ছিলেন অন্যতম উদ্যোক্তা পুরুষ । ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলায় বঙ্গবন্ধুর সাথে কারাবন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে নিজের সন্তানকেও হারিয়েছেন।তিনিই প্রথম কুমিল্লার মুক্তাঞ্চলে মুজিব নগরসরকারের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান হিসেবে স্বাধীন বাংলার পতাকা তোলেন ।
যুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের দু’দফায় প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন এই সৎ নিষ্ঠাবান রাজনীতিক ।

কোন মন্তব্য নেই