এক ব্লাউজে অনেক শাড়ি

0
.

যারা নিয়মিত বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শাড়ি পরেন, তাদের শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ মিলিয়ে তৈরি করে নিতে হয়। তবে সব শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ তৈরি করতে বেশ খরচ, যেমন একটি শাড়ির ব্লাউজের জন্য মাঝারি-মানের একটি টেইলার্সে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা নেয়। আর এজন্য চাইলেই একটু বুদ্ধি খাটিয়ে খরচ কমাতে পারেন, সঙ্গে ফ্যাশনও ঠিক থাকবে।

আজকাল হাল ফ্যাশনে ব্লাউজেও যোগ হয়েছে নানা কাট, ডিজাইন। এর একটি ব্লাউজের সঙ্গে আপনি নিশ্চিন্তে পরতে পারবেন বেশ কয়েক রঙের অনেকগুলো শাড়ি।

আসুন দেখে নেই এমনই কিছু ব্লাউজের ডিজাইন।

উঁচু গলা ও লম্বা এম্ব্রয়েডারি হাতা
হাল ফ্যাশনের সবচাইতে জনপ্রিয় ফ্যাশন হলো উঁচু গলা ও লম্বা হাতা। উঁচু ব্যান্ড কলার গলা দিয়ে লম্বা চুড়িদার হাতা দেয়া হয় এই ব্লাউজগুলোতে। গলায় হারের মত করে এম্ব্রয়েডারি করা থাকে এবং পুরো হাত জুড়ে এমব্রয়েডারি করা হয় এই ব্লাউজগুলোতে। এধরণের ব্লাউজ অনেক জমকালো হয় বলে খুব সাধারণ পারের শাড়ি পড়লেই ভালো মানায় এগুলোর সাথে।

এমব্রয়েডারি ব্লাউজ
একটু ভিন্ন ধরনের জমকালো এমব্রয়েডারি করা এবং পিঠ ও গলার কাটে ভিন্নতা পছন্দ করছেন অনেকেই। নিজেকে সবার চাইতে একটু আলাদা ও ফ্যাশন সচেতন দেখাতেই এ ধরনের স্টাইল বেছে নিচ্ছেন নারীরা।

গলায় স্টোনের কাজ
ইদানিং ব্লাউজের গলায় মূল্যবান পাথর দিয়ে নকশা করার প্রচলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গোল গলার এই ব্লাউজ গুলোতে এমন ভাবে নকশা করা থাকে যে দেখে মনে হয় গলায় মূল্যবান হার পরা হয়েছে।
স্টোন বসানো নেট এখন মার্কেটে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ব্লাউজের পেছন দিকটা তোই কাপড় দিয়ে তৈরি করলে দারুণ লাগবে।

হাতে ও পিঠে জমকালো টার্সেল
ইদানিং ব্লাউজের ফ্যাশনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে রং-বেরঙের টার্সেল। হাতে কিংবা পিঠের ফিতায় এই টার্সেলগুলো ব্যবহার করা হয়। বেশ অর্নামেন্টাল এই টার্সেলগুলো সব ধরনের রঙেরই পাওয়া যায়। সোনালী কিংবা রূপালী পুতি ও পাথর খচিত এই টার্সেলগুলো ব্লাউজকে অনেকেই পছন্দের তালিকায় রাখছেন।

এগুলোর প্রতিটির দাম এক হাজার থেকে তিন হাজর টাকা।

কোন মন্তব্য নেই