মানুন ৬ পরামর্শ থাকুন সুখে

0
.

সম্পর্কে মান-অভিমান থাকেই। কিছু কিছু সময় তা মাত্রা ছাড়িয়েও যায়। হয়তো অভিমানে ঘর ছাড়েন কেউ কেউ। এই ছেড়ে যাওয়া মানেই পাকা বিচ্ছেদ ভেবে নিয়ে ভেঙে পড়েন অনেকে। অনেকেই আবার আশ্রয় খোঁজের নতুন কারো মাঝে।

তবে সম্পর্ক শেষ করার আগে আরেকবার ভাবুন, এখান থেকেই ভালো থাকা সম্ভব। এজন্য দু’জনকেই মেনে চলতে হবে কিছু বিষয়। বুঝতে হবে সম্পর্কটি খুবই ঠুনকো অবস্থায় চলে গিয়েছিলো, এটিকে হ্যার্ডেলও করতে হবে যত্নের সঙ্গে।

যা করবেন এবং করবেন না:

ইতিবাচক চিন্তা
অনেকেই সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর হতাশ হয়ে যান। নিকটজনতো বটেই অনেক সামান্য পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলোচনা করে হতাশা বাড়িয়ে নেন। সম্পর্ক ভাঙনের সব ধরনের আলোচনা বাদ দিয়ে, কীভাবে সম্পর্কে ফেরা যায় সে চেষ্টা করুন। ভাঙা সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা না করে নতুন করে সম্পর্ক গোছানোর জন্য ইতিবাচক চিন্তা করুন।

পরিবর্তন
প্রেমিক কিংবা বিবাহিত জীবন শুরুর আগে আপনার কিছু সাধারণ অভ্যাস থাকতে পারে। যেগুলো আপনিও বোঝেন যে, তা অন্যের কাছে বিরক্তিকর। এসব অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করুন।

সঙ্গীর মতামত
শুধু আর্থিক কারণেই জগতের কত সম্পর্ক ভেঙেছে তা গুনে শেষ করা কঠিন। তাই পুরনো সঙ্গী আর্থিক বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করুন। তার মতামত ও পরামর্শের গুরুত্ব দিন।

যোগাযোগ
সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের গতানুগতিক পন্থা ছেড়ে নতুন এবং উন্নততর পন্থা অবলম্বন করুন। ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক আলোচনা ও পরামর্শ সঙ্গীকে আপনার প্রতি দুর্বল করবেই।

ঝামেলা নয়
একই ছাদের তলায় বাস করলেও মাঝেমধ্যে মনোমালিন্য হবে। তবে এসব সাধারণ ঝামেলা ইতিবাচক পন্থায় এড়িয়ে চলুন। আগুনে ফুঁ দিলে যেমন আগুন বাড়ে তেমনি সাংসারিক কলহেও নেতিবাচক মন্তব্য বা আচরণ তা বাড়িয়ে দেবে। সুতরাং ঝামেলা এড়িয়ে চলুন, জীবন এবং সংসারকে ভালোবাসুন।

এক ইস্যুতে বারবার নয়
একই বিষয় নিয়ে বারবার ঝগড়া নয়। যদি দেখেন বারবার একটি বিষয় আসছে, তবে দুজন মিলে ঠিক করুন, এটা নিয়ে আর কথা বলবেন না। আর সব থেকে ভালো হয় যদি সে বিষয়টি দৈনন্দিন জীবন-যাপন থেকে বাদ দিতে পারেন।

প্রিয় সঙ্গীর পাশে থাকুন, ভালো থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই