কেন ডিম চাই!

0
.

সোহাগ প্রায়ই বলেন, সে মুরগির কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ মুরগির ডিম সে তার ব্যাচেলর জীবনে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রেখেছে। আর মিটিয়েছে পুষ্টির চাহিদা। সুস্বাদু পুষ্টিকর আর সাশ্রয়ী খাবার বলতে ‍আমরা ডিমকেই বুঝি।

সকালের নাস্তায় ডিম তো চাইই চাই। নানা স্ন্যাকস তৈরিতেও লাগে ডিম। শরীরের সেরোটোনিন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে মানসিক অবসাদের সৃষ্টি হয়। ডিম সেরোটোনিন তৈরির ভালো উপাদান। এতে আরও রয়েছে ফলিক এসিড যা মুড বুস্টার হিসেবে কাজ করে।

ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। বিভিন্ন ধরনের খাদ্যগুণ রয়েছে ডিমে। প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফসফরাস, আয়রন, জিংক, ম্যাঙ্গানিজসহ সব উন্নত পুষ্টি উপাদান থাকায় ডিমের গুরুত্ব অনেক। সুপারফুড শিশুর মাংসপেশী, মস্তিষ্কের টিস্যু গঠন ও মেধা বিকাশে সহায়তা করে।

আরও আছে,

ডিমপ্রিয় মানুষের জন্য আরও একটি সুখবর হচ্ছে ডিমের অন্যান্য গুণের সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিস দূর করার ক্ষমতা রয়েছে। ‘দ্য আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’ এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে চারটি ডিম টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ৩৭ ভাগ ঝুঁকি কমায়।

জেনে অবাক হবেন, ডিমের প্রতি আলাদা দুর্বলতা রয়েছে শাহরুখ খানের। একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে দিনে একাধিক ডিম খান তিনি।

শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ সবাই সকালের নাস্তায় একটি ডিম খেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী। তবে তিনি বলেন, উচ্চরক্তচাপ, স্থুলতার মতো শারীরিক সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ডিম খেতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই