সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এল.কে সিদ্দিকীর আজ ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী

0
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এল.কে সিদ্দিকীর আজ ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী।

২০১৪ সালের এই দিনে তিনি ফুসফুসে জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) এ উপলক্ষে মরহুমের নিজ বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার রহমতনগরে সকালে কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে এল কে সিদ্দিকীর আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ীসহ সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এল কে সিদ্দিকী ১৯৩৯ সালের ১৫ এপ্রিল সীতাকুন্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রহমতনগর গ্রামে জম্মগ্রহন করেন। অধ্যাপনারত অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত এলকে সিদ্দিকী পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৭৯ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে বিদ্যু,পানি ও বন্যা নিয়ন্ত্রন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালেও তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৯২-৯৪ সালে তিনি অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধার মানুষ।

দলীয় গণ্ডির বাইরেও তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার এল. কে. সিদ্দিকী ছিলেন একজন প্রথাবিরোধী ভিন্ন প্রকৃতির রাজনৈতিক নেতা। সকল প্রকার অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির বিপরীত শিবিরে ছিল তাঁর শক্তিশালী অবস্থান। শুধু কথা নয়, তিনি কাজে বিশ্বাসী ছিলেন। অত্যন্ত সৎ ও ন্যায়পরায়ণ এ মানুষটি ছিলেন আকাশচুম্বি ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তার মধ্যে কোনো ভণ্ডামি ও বহুরূপী মনোভাব ছিল না।কথা-বার্তা ও আচার-আচরণে আভিজাত্যের প্রভাব থাকলেও তিনি যা বলতেন; লুকোচুরি না করে স্পষ্টভাষায় বলতেন। ছলচাতুরি কিংবা মোসাহেবী তিনি মোটেই পছন্দ করতেন না। মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে কাউকে ঘোরানোর বদাভ্যাস তার ছিল না।

মন্ত্রী-এমপি থাকাকালীন তিনি কখনও সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ কোনো অপকর্মকে প্রশ্রয় দিতেন না। নিজদলের সন্ত্রাসীরাও তাঁর কাছে যাওয়ার সাহস পেতো না।যেকোনো বিষয়ে নীতি-নৈতিকতার অবস্থান থেকে কখনো তিনি একচুলও নড়েননি। ইঞ্জিনিয়ার এল. কে. সিদ্দিকী ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৫ এপ্রিল চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রহমতনগর গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবুল মনসুর লুৎফে আহমেদ সিদ্দিকী।

কোন মন্তব্য নেই