সরকারের চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থা ভয়াবহ-গয়েশ্বর চন্দ্র

0
.

সরকারের চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থা ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলন আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ শনিবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘মানবাধিকার ও আইনের শাসনের চরম অবনতি: কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বর্তমান সরকার সবচেয়ে বেশি দূর্বল। আর সরকার কোনও ভালো অবস্থানে নেই। আরেক জন (প্রধানমন্ত্রী) চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে গিয়েছেন, এদিকে দেশের অবস্থা ভয়াবহ। কিন্তু তার চেয়ে মনে হয় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থা ভয়াবহ। তা না হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসা বন্ধ করে তিনি আসতে পারতেন’।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘দেশের মানুষ বন্যায় ভাসছে কিন্তু তিনি আসতে পারছেন না। তাহলে তিনি কঠিন অবস্থার মধ্যে আছেন। এর কারণে পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে তিনি আসতে পারছেন না। শোনা যাচ্ছে, নানা রকম সমস্যা। আর চোখের আলোটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বেশি জরুরি। তাহলেইতো মানুষের চোখের দিকে তাকালে তাদের চোখের ভাষাটা কি, তা বুঝতে পারবেন।

তবে আমরা চাই, আল্লাহ উনার চোখ ভালো করুক। আল্লাহ তার চোখ, শরীর ও ভাবনাটা সুস্থ করুক। আর আল্লাহ যেনো উনাকে মানুষকে ভালোবাসার তৌফিক দেন। কারণ আমরা কোনও মানুষের অমঙ্গল কামনা করি না।

.

গয়েশ্বর আরও বলেন, রাজনৈতিক নেত্রীর মুক্তি হয় রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের নেত্রী (বিএনপি চেয়ারপারসন খালোদা জিয়া) জেলখানায় যাওয়ার পরে আমরা এমন কোনও আন্দোলন করতে পারি নাই যে সরকার তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে। আর আন্দোলনের কোনও আওয়াজও আমরা আদালতে দিতে পারিনি। আর বেগম জিয়াকে মুক্তি না দিলে জজদের ওপরে জনগণ ক্ষুব্ধ হবে। এই বার্তাও আমরা দেই নাই।

এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশর দুর্নীতির আড্ডাখানা।

তিনি বলেন, গণপিটুনির আড়ালে অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে কি না? সে বিষয়টি সামনে আনতে হবে। সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, এর সঙ্গে বিরোধী দলের হাত আছে। তার মানে কি? তার মানে, দেশকে চরম একটা অবস্থানের মধ্যে ফেলে দেয়া এবং কোনও একটা সময়ে তারা নিজেরাই দেশ ছেড়ে কেটে পড়ে কি না।

সেমিনারে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, রবিউল আলম, কৃষকদলের আহ্বয়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মাদ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কোন মন্তব্য নেই