“স্যার, আমাকে এভাবে শেষ করে দিবেন না, ওসি বলে-তোর এখনও ভরা যৌবন”

47
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

তিন সন্তানের জননী (৩০) নিজের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য আকুতি-মিনতি করেও হৃদয় গলাতে পারেনি। স্যার আমার ছেলে মাদরাসায় পড়ে। আমাকে এভাবে শেষ করে দিবেন না। এ সময় ওসি অট্রহাসি দিয়ে বলে-‘তোর এখনও ভরা যৌবন, এ দিয়েই তো চলে’-এই বলে সে আমাকে বিবস্ত্র করে ফেলে তার রুমের মধ্যে ধর্ষণ করে। সে চলে যাবার পরে থানার গৌতম দারোগাসহ চারজন পুলিশ রাতভর আমার উপর নির্যাতন চালায়।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সেই রাতে খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের ধর্ষণের বর্ণনা দিতে দিতে হাউমাউ করে কেদে ওঠেন এবং মূর্ছা যান। এ সময় তার দূরে ধর্ষিতার সাত ও আড়াই বছরের দু’টি কন্যা সন্তান নিয়ে তার বৃদ্ধা মা আম্বিয়া বেগম দাঁড়িয়েছিল ।

এর আগে, ৪ আগস্ট রোববার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খুলনার আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জিআরপি থানার ওসির রুমে রেখে রাতভর ধর্ষণের ঘটনাও বর্ণনা দেন ওই নারী।

আদালতের নির্দেশে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রোববার রাতে ওই নারীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে পরীক্ষা হয়নি। সোমবার তাকে আবারো হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। বিকেলে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওসি ওসমান গনি মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় তিনি হুমকি দিচ্ছেন বলেও ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।

এ ঘটনাটির তদন্তের জন্য কুস্টিয়া রেলওয়ের সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদকে সভাপতি ও ডিআইও-১ এর পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) স ম কামাল হোসেন এবং দর্শনা রেলওয়ের ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের অফিসার ইনচার্জ মো. বাহারুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

ধর্ষিতা গৃহবধুর খালাতো ভাই শাহাবুদ্দিন মাতব্বর জানান, গত শুক্রবার তার বোন (৩০) যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। এদিন রাত সাড়ে সাতটার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি পুলিশের ওসি ওসমান গণি পাঠান তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরও চার পুলিশ কর্মকর্তা (সদস্য) তাকে ধর্ষণ করে।

পরদিন শনিবার ওই নারীকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর ওই নারী জিআরপি থানায় তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা তুলে ধরেন। এরপর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খুলনার আদালতে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন।

ফেনসিডিল দিয়ে ফাঁসানো ও জিআরপি পুলিশের চাঁদা দাবি প্রসঙ্গে গৃহবধূর ভাই মো. সেলিম হাওলাদার জানান, আমাকে পুলিশ বলে, তোমার বোনকে মোবাইল চুরির জন্য ধরে নিয়ে আসছি। আমি বলেছি, স্যার আমার বোনতো এসব করে না। পুলিশ বলে, এই তুমি বেশি জানো? এই একে ধরো। বোনের সঙ্গে ভাইরেও লকআপে ভরো। আমি বলি স্যার কি বলছেন? তিনি বলে, এই বেশি কথা বলবি না। যা বাসা থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে আয়। আমি বলি, আমরা গরিব মানুষ টাকা পাব কই? তিনি বলেন, টাকা পাবি কই আমি জানি না। তুই টাকা নিয়ে আয়। তা না হলে ওরে ছাড়ব না।

এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত আমি ওইখানে বসে থাকি। আমাকে অনেক ভয়-ভীতি দেখাইছে। ‘ফেনসি দিমু নয় বাবা দিয়া চালান দিয়া দিমু।’ যাও বাসায় যাও, ভালো লোক হয়ে থাকলে বাসায় যাও। আমি ভয়ে চলে আসছি। চলে আসার পর ভোর ৬টায় গেছি। যাওয়ার পরে বলে, এদিকে এসো, টাকা আনছো? আমি বলি স্যার আমরা গরিব মানুষ, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না। ঠিক আছে এখন ৭ বছর জেল খাটলে.. এরপর আমাকে বলে এই ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি করে আনো। আমি আনছি, আনার পরে এবার আমার ছোট বোনকে বের করেছে।

আমাকে ফটোকপি আনতে দিয়ে ফেনসিডিল দিয়ে ওরে বের করছে। আমি বলি স্যার এই আনছি। এরপর আমার বোন আমারে জড়িয়ে ধরে বলে, ভাইয়া আমারে পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়েছে ব্যাগে। আমি বলি আমাকে ফটোকপি আনতে দিলেন, এখন পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়ে চালান দিলেন। এরপর পুলিশ বলে, ‘এই বেডা বেশি কথা কবি না। আমি তখন একা ছিলাম। ভয়ে আমি আর তখন কিছু বলিনি।’

47 মন্তব্য

  1. বুঝাই যায় সব মিথ্যে। কারন একজন ওসির সাথে এসআই ও পুলিশ সদস্য মিলে রাতভর ধর্ষন এটা সম্ভব হতে পারে না। একা হলে বিশ্বাস করতাম।।

  2. ঐ ওসিদের বউগুলো কেমন? বউগুলো কি শুধু টাকার গুলাম? কই এতগুলো কু-কামের নিউজ প্রকাশিত হয়। কই কোন দিন তো কু-কামের বিরোদ্ধ তাদের স্ত্রীদের কোন মতামত নাই।

  3. ওসির রুমে কি বিছানাপত্র আছে?নাকি ফ্লোরে….
    আসলে ঘটনা কি সত্য নাকি রটনা?
    আজকাল সন্মানিত কাউকে ফাঁসানো কোনো ব্যাপার না।নারীঘটিত হলে তো কথাই নাই।
    এত রুচিহীন ওসি, এস আই সমাজে আছে নাকি,যাদের বিছানার দরকার পরে না।
    একজন ওসি চাইলে,মেয়ের লাইন লাগাইতে পারে, এমন করে ভাগাভাগি করে খাওয়ার দরকার পরে না।
    সরি,এমন কমেন্ট করার জন্য সরি।
    যাদের আমার কমেন্ট পছন্দ হবে না তারা দূরে থাকুন।

    • Halima Chowdhury apnr command ami ekmot hote parlam na
      are line lagate pare bolsen apnr moto jara tara line lagbe but kono valo meye na se gorib hok na kno
      & dorson jara kore tader abr besana lage naki…?
      Jongole kore…?
      Khate kore…?
      Nodir pare kore oi khane ke besana thake naki..?
      But oi rome sofa selo apni aita janen na hoitu tai amnta bolsen
      so sad apnr moto ekjon mohila amn command korse
      apni nari oi nari apnr ochit selo sottei ta bolar & sottie hole bechar chawar

    • আমি শুধু আমার মতামত দিয়েছি।তর্কে জড়াতে চাই না।প্রতিটি স্পোস্ট এ সবার স্বাধীন মতামত দেবার অধিকার আছে।আমি জাস্ট এ অধিকার এপ্লাই করেছি।

    • যারা আইন নিয়ন্ত্রণ করে তারা জানে আইন কি নিয়মে চলে।
      ওসির রুমে রাতভর সবাই মিলে ধর্ষণ করবে আর এটা মহিলাটা প্রকাশ করবে না সেটা তো হতে পারে না।
      এতটুকু ভয় ও বোধশক্তি আইনশৃঙ্খলাবাহীনির থাকে।
      ক্রাইম ওদের চাইতে বেশি আর কেউ বুঝবে না।
      আর একজন সরকারী কর্মকতা নিজের কেরিয়ার নিয়ে সচেতন থাকে সাধারণ পাবলিকের চাইতেও বেশি।
      আমার মতে এমন একটা ঘটনা থানায় হওয়া কখনোই সম্ভব নয়।
      এটা বাংলা ছবির মতো লাগছে।
      এমন ঘটনা বাইরে বা কোনো হোটলে হয়েছে বললে বিশ্বাস করা যেতো।
      আমি শুধু আমার মতামত জানালাম।ভেবে দেখার দায়িত্ব আপনাদের হাতে।

    • Halima Chowdhury ভালো প্রমাণ পেতে হলে আপনি যদি যুবতী হয়ে থাকেন রাতের বেলায় ওনার সাথে দেখা করুন! পুলিশ না পারে এমন কিছু আছে। কতো শত প্রমাণ রয়েছে আগে পিছে । একজন ওসির বিরুদ্ধে এমন পোষ্ট করার সাহস পায় যদি ঘটনা সত্য না হয়। আপনি বোধ হয় এই ওসির শালী! আর রেপ করতে বিছানা ফ্রোর লাগেনা কুকুরেরা তো বিছানা খোজেনা। ওসি মোয়াজ্জেম কি ইন্ডিয়া পুলিশ থেকে আসছে না বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য?

    • Nasir Uddin যুক্তিতে মুক্তি মিলে, তর্কে বহুদূর!!
      আমি আমার মতামত জানালাম।
      আপনি আপনার মতামত জানালেন।ব্যস।একজনের চিন্তাধারা অন্যজনে পাল্টাতে পারে না।
      আমার সব কৌতুহল ওখানে—সেটা হলো থানা।
      এত লোকের সমাগম এরিয়ায় এটা কি সম্ভব!!
      আপনি হয়ত বলবেন,সম্ভব।আমার কিন্তু তখন কিছু বলার নাই।

    • Nasir Uddin -আপনার কথায় একদিকে সহমত।
      রাতের বেলায় একা দেখা করা।হুম,তখন শুধু উনি নয়,যেকোনো পুরুষই সুযোগ খুঁজবেন।
      আমার প্রশ্ন এখানে-
      এত লোকসমাগম এরিয়া থানা।
      নিজের ভাবমূর্তি বলে তো একটা কথা আছে।
      ও সি পদ পাওয়া এত সহজ নয়।একজন লোক প্রশাসনের চাকরী নিতে তার বাপ দাদার ব্যকগ্রাউন্ড সহ ভেরিফিকেশন করা হয়। উনি একজন উচ্চ পদস্হ সরকারী লোক,ওসি যার পদবী।
      এ পর্যায়ে আসতে উনাকে উনার চারিত্রিক সনদকে বার বার ঝালাই করতে হয়েছে।এটা সোজা ও সহজ কাজ নয়।
      তবে হ্যাঁ গোপনে কাজ সেটা অন্য কথা।আর পুলিশ মানে ঘুষখোর সেটাও সত্য।
      কিন্তু চরিত্রের বেলায় পতাকা টাঙিয়ে কেউ এমন চরিত্রহীন কাজ করবে না।এমন কি একজন সাধারণ পাবলিকও না।
      আমার কমেন্টকে তর্ক মনে করবেন না।জাস্ট মতামত মনে করবেন প্লিজ।ভাল থাকবেন। আর বিষয়টি ও আমার কমেন্ট নিয়ে নিরপেক্ষভাবে গভীর চিন্তা করবেন প্লিজ।
      সাবলীল ও সন্মানের সাথে কমেন্ট রিপ্লে করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও দোয়া।ভাল থাকবেন।