বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙ্গলো ছাত্রলীগ

8
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ মুখতার ইলাহী হলের বেশ কয়েকটি কক্ষে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় কক্ষে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও।

বুধবার দিবাগত রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সূত্রে জানা যায়, গতকাল ২১ আগস্ট শোক দিবস উপলক্ষ্যে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার চত্ত্বরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করতে যান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখ। সেখানে তাকে বাধা প্রদান করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ফয়সাল আযম ফাইনের অনুসারীরা। এ সময় তাদের মাঝে দীর্ঘক্ষণ বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এর কিছুক্ষণ পর বঙ্গবন্ধু হল শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের কক্ষে ভাঙচুর চালায় ফয়সাল আযম ফাইন। পরে তার নেতৃত্বে শহীদ মুখতার ইলাহী হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া ও হল ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান আলীর কক্ষে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া বলেন, ফয়সাল আযম ফাইনের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা প্রথমে ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে বাধা দেয়। পরে তারা হলের বিভিন্ন রুমে হামলা করে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগে বিদ্রোহী গ্রুপ থাকতেই পারে। কিন্তু তারা আগস্ট মাসে ছাত্রলীগের কর্মসুচিতে বাধা দিতে পারে না। তারা আলাদাভাবে প্রোগ্রাম করতে পারে। একইসঙ্গে আকস্মিকভাবে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে হামলা করে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করার মাধ্যমে চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে বিষয়টি অবগত করেছি। কেন্দ্রীয় সংসদ হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখ বলেন, যারা শোকের মাসে ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে বাধা দেয় এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে তারা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হতে পারে না। তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ফয়সাল আযম ফাইন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়ার কক্ষে কিছু বহিরাগত ইয়াবা সেবন করছিল। সে সময় আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে হল থেকে বের করে দিয়েছি। এরপর সভাপতির অনুসারী বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, কমিটি দীর্ঘ দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ না করায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

8 মন্তব্য

  1. এইসব হলো বিএনপির সন্ত্রাসদের কাজ তারা কখনো বঙ্গবন্ধু আর্দশকে মানে নি তাই এখন এইসব করে তারা ছাত্রলীগ এর নাম দিচ্ছে । বিএনপির সন্ত্রাসরা এখন নিজেদের নাম লুকাতে ছাত্রলীগ নিয়ে এইসব মিথ্যা নিউজ বানিয়ে দেশের জনগনের সামনে প্রকাশ করছে কিন্তু দেশের জনগন বিএনপির মত দুর্নীতিবাজদের এইসব দুর্নিতি ভালো করেই বুঝে ।

  2. ছাত্রলীগ কখনো এইসব কাজ করতে পারে না কারণ ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর আর্দশে চলে । বিএনপির সন্ত্রাসরা এইসব করেছে সেটা আর নতুন করে দেশের জনগনকে বুঝতে হচ্ছে না । কারণ বিএনপির এইসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেশের জনগন আগেও দেখেছে । বিএনপির এইসব করে এখন ছাত্রলীগ এর নামে মিথ্যাচার করছে ।

  3. বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছাত্রলীগ ভেঙ্গেছে এই কথাটি বলা উচিত হয় নি।ছাত্রলীগ হলো বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আদর্শ ছাত্র সংগঠন।এই সংগঠন টি দেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে জোড়ালো ভুমিকা রেখেছেন।আর এই আদর্শ ছাত্রলীগ কখনো এমন ভাংচুর করে বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার ছবিকে অবমাননা করতে পারে না।

  4. রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা ঘটেছে।আর সেই সুযোগে সুযোগ সন্ধানী ছাত্রদল ছাত্রশিবির তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ মুখতার ইলাহী হল কক্ষে হামলা চালিয়েছে।আর এর দায় এখন পড়ছে ছাত্রলীগের উপর

  5. বিএনপির সন্ত্রাসরা এইসব করেছে সেটা আর নতুন করে দেশের জনগনকে বুঝতে হচ্ছে না । কারণ বিএনপির এইসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেশের জনগন আগেও দেখেছে । আরভ ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী এধরনের কাজ করতে পারেনা। কেননা ছাত্রলীগ হলো বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আদর্শ ছাত্র সংগঠন।